মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্তির জন্য ৬১৫ আবেদন শুনানির অপেক্ষায়
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত
মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্তির জন্য করা ৬১৫টি আবেদন এখনো শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। একইভাবে বীরাঙ্গনা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য করা ২২২টি আবেদনও শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়।
কমিটির সভাপতি মনিরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, ফজলুর রহমান, আবদুল হান্নান, আমীর এজাজ খান ও রোকেয়া বেগম অংশ নেন।
বৈঠকে জানানো হয়, ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) ৬ হাজার ৪৬৫ জনের মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের সুপারিশ করেছে। একই সময়ে ১৮ হাজার ৪১৭ জনকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।
জামুকার সুপারিশ করা নতুন তালিকায় রয়েছেন ৭৬৮ জন শহীদ, ১৯৮ জন যুদ্ধাহত, ৫২৯ জন বীরাঙ্গনা এবং ১৬ হাজার ৯২২ জন সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা।
বৈঠকে আরও জানানো হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত উপকমিটির যাচাই-বাছাইয়ে সুপারিশ পাওয়া ১০৪ জন মুক্তিযোদ্ধার নামও এখনো গেজেটভুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। পাশাপাশি ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে করা ২০২টি আবেদনও শুনানির অপেক্ষায় আছে।
সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের এসব তথ্য জানানো হয়।
এদিকে, এই কমিটির সদস্য ও জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে মঙ্গলবারের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইটে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্যদের তালিকায় এখনও তার নাম রয়েছে।
কমিটির সভাপতি মনিরুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, গাজী নজরুল ইসলাম এখন আর তাদের দলে নেই। দলটি চায় না তিনি সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্থিত থাকুন। এ কারণে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে তাকে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে জানান তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। পরদিন বিষয়টি চিঠি দিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে জানায় দলটি।
