×

মুক্তচিন্তা

বিশ্ব নদী দিবস

অপরিকল্পিত নগরায়নে বিপন্ন নদ-নদী, অস্তিত্বের প্রশ্ন

Icon

নাজমুল হুদা

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২০ পিএম

অপরিকল্পিত নগরায়নে বিপন্ন নদ-নদী, অস্তিত্বের প্রশ্ন

ছবি: এআই নির্মিত

সারাদেশে সরীসৃপের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য নদ-নদী, যা মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে এই মাটির সঙ্গে মিশে আছে। এসব নদ-নদীর কারণেই বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত। তাছাড়া মানবজাতির বিকাশেও একসময় নদ-নদী ছিল মূল কেন্দ্রবিন্দু। নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠত মানবসভ্যতা; পাশাপাশি এসব সভ্যতার বিকাশও ঘটেছে নদীকে কেন্দ্র করে।

এমনকি একসময় যাতায়াতের ক্ষেত্রেও নদীপথ ছিল অন্যতম প্রধান মাধ্যম। নদীপথে যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থা এখনো সারাবিশ্বে বিদ্যমান রয়েছে। কিন্তু নগরায়ণের ফলে বাংলাদেশে নদ-নদীগুলো এখন অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত। আর নদী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এর সঙ্গে সম্পর্কিত সবকিছুই ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। ফলে দিনদিন জীববৈচিত্র্য, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, মৎস্যসম্পদ এবং সামগ্রিক পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ছে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক জরিপের তথ্যমতে, বাংলাদেশে বারো শতাধিক (মতান্তরে ১৪১৫; ২০২৬ জরিপ) ছোট-বড় নদ-নদী জালের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। এঁকেবেঁকে পথচলা এসব নদ-নদীকে কেন্দ্র করে সময়ের বিবর্তনে গড়ে উঠেছে ছোট-বড় জনপদ। এসব জনপদের হাত ধরেই গড়ে উঠেছে বর্তমানের ছোট-বড় শহর। কেননা দেশের অধিকাংশ পরিচিত শহর কোনো না কোনো নদীর তীরেই গড়ে উঠেছে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় মানুষ এই নদীর কদর করতে ভুলতে বসেছে। এমনকি এসব শহরে অতিরিক্ত মানুষের চাপ ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে নদীগুলো অনেকটাই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে এবং ক্ষতির মুখে পড়েছে।

নদী গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও নদী সম্পর্কিত নৌ-কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলছে, বিগত ৫০ বছরে অন্তত তিন শতাধিক নদ-নদী মৃতপ্রায় বা বিলীন হয়ে গেছে। তাছাড়া নদীর নৌ-নাব্যতা হারিয়েছে অন্তত ৩০৮টি নদী। এর মধ্যে ঢাকাতেই অন্তত ৮৫টি নদী নাব্যতা হারিয়েছে। অপরদিকে, ২০২৫ সালের নদী ও বদ্বীপ গবেষণা কেন্দ্র (আরডিআরসি)-এর গবেষণামতে, অন্তত ৭৯টি নদী পলি জমে বা রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে শুকিয়ে গেছে অথবা শুকিয়ে যাওয়ার পথে, ফলে এসব নদী অনেকটাই নৌপথ হিসেবে ব্যবহারের উপযোগ হারিয়েছে।

এ গবেষণায় নদীতে অতিরিক্ত পলি জমা, উজানে পানি প্রত্যাহার এবং অবৈধ দখলকে নদী বিপন্ন হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে প্রায় ২৪ হাজার কিলোমিটার নৌপরিবহনযোগ্য নদীপথ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে তথ্য পাওয়া যায়। কিন্তু ২০২৬ সালের সংসদে প্রদত্ত নৌপরিবহনমন্ত্রীর তথ্যমতে, বর্তমানে নাব্য নৌপথের দৈর্ঘ্য শুষ্ক মৌসুমে ৬ হাজার ২০০ কিলোমিটার এবং বর্ষায় ৮ হাজার কিলোমিটার।

শহর সম্প্রসারণের ফলে নদী ও নদীতীরের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ভূমিদস্যুদের অবৈধভাবে নদীর পাড় দখল, বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে নদীতে পলি জমা, নদীর ওপর বাঁধ, সেতু ও সুইচগেট নির্মাণসহ অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ, নদীর গতিপথ পরিবর্তন, অপরিকল্পিত নদীশাসন, কৃষির সম্প্রসারণ, অপরিকল্পিত ও অতিরিক্ত বালু উত্তোলন এবং নদীর সঙ্গে যুক্ত খাল, বিল ও জলাভূমি ভরাট—এসবই নদ-নদী ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বাড়তি আবাসন ও সম্পদের চাহিদায় শহর সম্প্রসারণের ফলে নদী ও নদীতীরের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। একদল স্বার্থান্বেষী ভূমিখেকো মহল অবৈধভাবে নদীর পাড় দখল করে গড়ে তুলছে অবৈধ স্থাপনা। আবার অবকাঠামোগত উন্নয়নের নামে অপরিকল্পিতভাবে নদীশাসন করে নদীর ওপর বাঁধ, সেতু, সুইচগেটসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক গতিবিধি ব্যাহত ও পরিবর্তিত হচ্ছে।

এছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এক শ্রেণির মানুষ প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে প্রতিনিয়ত বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে নদীভাঙনের মতো জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। একইভাবে নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল, বিল, হাওর, বাওড় ও জলাভূমি ভরাট করে বাড়তি আবাসন ও সম্পদের চাহিদা মেটাতে কৃষির সম্প্রসারণ বা নগরায়ণ করা হচ্ছে। যা সরাসরি পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে মানুষের জন্য ক্ষতি বয়ে আনছে।

নদীর ওপর এসব নেতিবাচক প্রভাবের কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং আকস্মিক বন্যা, প্লাবন, পাহাড়ি ঢল, নদীভাঙন, নদীর নাব্যতা হ্রাস, পানিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধিসহ নদী সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নিচু অঞ্চল বিলীন বা প্লাবিত হওয়া, ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্রের ক্ষয়ক্ষতি, কৃষিজমি ও ফসলের ক্ষতি, অর্থনৈতিক ক্ষতিসাধন, খাদ্যসংকট, বিশুদ্ধ পানির অভাব, রোগব্যাধিসহ নানা ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে মানুষকে। ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দিনদিন জনদুর্ভোগ বা ভোগান্তি বাড়ছে।

অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলেও প্রতিবছর নদীতে ব্যাপক ক্ষতি বয়ে আনছে। লাখ লাখ টন বালি, মাটি ও পাথর নদীতে এসে পড়ছে। এসব বালি ও মাটি সারাদেশের নদ-নদী ও হাওর-বাঁওড়কে ভরাট করছে এবং তৈরি করছে স্থায়ী বা অস্থায়ী চরাঞ্চল। ফলে এসব চরাঞ্চল অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তোলা হচ্ছে বিভিন্ন স্থাপনা। বলা বাহুল্য, এসব বালি ও মাটি শুধু নদ-নদীর তলদেশই ভরাট করছে না, বরং নদীর উৎসমুখও ভরাট করছে। ফলে সামগ্রিক নদী ও পানি ব্যবস্থার ওপর এর প্রভাব পড়ছে।

সেতু, ব্রিজ, কালভার্টসহ নদীতে অবকাঠামোগত নির্মাণকাজও সরাসরি নদীর ওপর প্রভাব ফেলছে। এতে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং হ্রাস পাচ্ছে নাব্যতা। এছাড়া প্রতিনিয়ত নদীর দুই পাড় অবৈধভাবে দখল করে নির্মাণ করা হচ্ছে বহুতল ভবন। এতে নদীর স্বাভাবিক গতিধারা ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন নদীর স্বাভাবিক চরিত্রকে নষ্ট করছে। পাশাপাশি শহরের ভেতর দিয়ে বয়ে চলা ছোট-বড় খাল দিয়ে নিয়মিত নানা ধরনের বর্জ্য সরাসরি নদীতে এসে পড়ছে, যা নদীর গভীরে পলি জমিয়ে নদী ভরাট করছে।

নদীর ওপর নেতিবাচক প্রভাবের কারণে মানুষ ছাড়াও নদী বা পানির ওপর নির্ভরশীল বহু প্রাণী ও উদ্ভিদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর মধ্যে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী, জলজ উদ্ভিদ, শৈবাল, অণুজীবী, পরজীবী, উপকারী ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া, নদীতীরের প্রাণী, পচনশীল জীব, পোকামাকড়সহ নদীর ওপর নির্ভরশীল বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদ রয়েছে। ফলে জলজ বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নদীতে পুষ্টি ও খাদ্যশৃঙ্খল চক্রও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে সামগ্রিক জীববৈচিত্র্যের ওপর।

অপরদিকে, নদীদূষণ তো আছেই। নগরায়ণের ফলে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের বর্জ্য, শিল্প ও কলকারখানার রাসায়নিক দ্রব্য, দৈনন্দিন গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত ময়লা-আবর্জনা, মেডিকেল ও হাসপাতালের জীবাণুযুক্ত ক্ষতিকারক চিকিৎসাবর্জ্য, প্লাস্টিক ও পলিথিন, পয়ঃনিষ্কাশন বর্জ্য, ক্ষতিকারক কৃষিজ বর্জ্য ও কীটনাশকসহ নানা ধরনের ময়লা-আবর্জনা ও বর্জ্য নদীতে এসে পড়ছে। এসব বর্জ্যের কারণে প্রতিনিয়ত নদীর পানি দূষিত হচ্ছে, যার প্রভাব সরাসরি জীববৈচিত্র্যের ওপর পড়ছে।

এছাড়া অপরিকল্পিত নগরায়ণে অতিরিক্ত আবাসন ও অবকাঠামো নির্মাণকাজের জন্য ব্যবহৃত মাটি, বালি, সিমেন্ট, ইটের টুকরা, ধুলা এবং বিভিন্ন কঠিন বর্জ্য বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে নদীতে পড়ছে। এমনকি এসব বর্জ্য মানুষ সরাসরি নদীতে বা নদীর তীরে ফেলছে। এতে নদীর তলদেশে অতিরিক্ত পলি জমে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও জলজ আবাসস্থলের ওপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলছে।

নদীর ওপর নেতিবাচক প্রভাবের ফলে শুধু নদীদূষণ বা গুণমানের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে না, বরং জীববৈচিত্র্য, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, মৎস্যসম্পদ এবং সামগ্রিক পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ছে। তাছাড়া নদী দূষিত হলে শুধু নদীই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, বরং নদীর সঙ্গে সংযুক্ত পুরো প্রতিবেশ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে সরাসরি পরিবেশের জীবজগৎ এবং নির্জীব উপাদানের মধ্যকার পারস্পরিক আন্তঃসম্পর্ক ও ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থা নষ্ট হচ্ছে। এর সবচেয়ে বড় ক্ষতির অংশীজন আমরাই। তাছাড়া নদীর ওপর নির্ভরশীল সকল জীববৈচিত্র্যের খাদ্যশৃঙ্খল চক্রও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে নদী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির পাশাপাশি আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপরও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাব পড়ছে। ফলশ্রুতিতে সময়ে-অসময়ে অতিবৃষ্টি, বন্যা, খরা, পাহাড়ি ঢল, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ায় সরাসরি তাপমাত্রার ওপরও প্রভাব পড়ছে। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সময়ের সামঞ্জস্য রেখে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের হ্রাস-বৃদ্ধি পাওয়ার কথা থাকলেও দেখা মিলছে ভিন্ন চিত্র। বৃষ্টির সময়ে অতিবৃষ্টি হচ্ছে এবং নদী তার পানি ধারণক্ষমতা হারাচ্ছে। ফলে বৃষ্টির মৌসুমে নিচু অঞ্চল প্লাবিত হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে এবং অসংখ্য মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ছে। অপরদিকে, শুকনো মৌসুমে পলি জমে নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় নদীগুলো পানিশূন্য হয়ে যাচ্ছে, এতে প্রচণ্ড খরা দেখা দিচ্ছে। ফলশ্রুতিতে পানিশূন্যতার ভয়ঙ্কর আগ্রাসনের শিকার হতে হচ্ছে আমাদের।

কেননা, সাম্প্রতিক সময়ে বিগত কয়েক বছরে দেখা গেছে, অতিবৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হচ্ছে। নদীর পাশাপাশি নদীতীরবর্তী এলাকাও জলাবদ্ধ হয়ে পড়ছে বা পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে, দেশের এক প্রান্তে যখন বন্যা চলছে, তখন দেশের অপর প্রান্তে (দক্ষিণ-পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে) নদী শুকিয়ে বৃষ্টির অভাবে খরা ও তাপদাহ দেখা দিচ্ছে। ছোট একটি দেশে আবহাওয়ার এমন পরিবর্তন আসলে পরিবেশ নিয়ে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। কেননা, পরিবেশ স্বাভাবিকভাবে তার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছে এবং এর প্রভাব পরিবেশের প্রত্যেকটি স্তরে দৃশ্যমান হচ্ছে।

সর্বোপরি, পরিবেশ রক্ষায় নদী রক্ষণাবেক্ষণে আমাদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি সময়োপযোগী আইন তৈরি ও যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ রক্ষায় সরকারকে ভূমিকা রাখতে হবে। এছাড়া নদী সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে জনসচেতনতা তৈরিতে পরিবেশ সম্পর্কিত সংস্থাগুলোকে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে কার্যক্রম পরিচালনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। মূল কথা, আমাদের পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরই। সুতরাং আমাদেরকেই সচেতন হতে হবে এবং এগিয়ে আসতে হবে।

লেখক: নাজমুল হুদা, সাবেক শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সালমানের পুরুষত্ব নিয়ে খোঁচা মারলেন আসিফ?

সালমানের পুরুষত্ব নিয়ে খোঁচা মারলেন আসিফ?

প্রতিনিধি সভার আবেদন করেছিল জাসদ, পুলিশ বলছে ‘জানা নেই’

প্রতিনিধি সভার আবেদন করেছিল জাসদ, পুলিশ বলছে ‘জানা নেই’

অপরিকল্পিত নগরায়নে বিপন্ন নদ-নদী, অস্তিত্বের প্রশ্ন

বিশ্ব নদী দিবস অপরিকল্পিত নগরায়নে বিপন্ন নদ-নদী, অস্তিত্বের প্রশ্ন

বাসভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য, ভ্রাম্যমাণ আদালতের দাবি

বাসভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য, ভ্রাম্যমাণ আদালতের দাবি

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App