×

টিপস

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখবে যেসব অভ্যাস

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ০২:২১ পিএম

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখবে যেসব অভ্যাস

ছবি : সংগৃহীত

রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল বেড়ে গেলে হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। অতিরিক্ত এলডিএল ধমনীর ভেতরে জমে গিয়ে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এর ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকসহ নানা জটিল শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোলেস্টেরলের সমস্যা হঠাৎ তৈরি হয় না। দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং শরীরচর্চার অভাবে ধীরে ধীরে এই ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তাই শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর না করে প্রতিদিনের কিছু অভ্যাস বদলালেও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা কোলেস্টেরল কমাতে কার্যকর পাঁচটি অভ্যাসের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

খাবারে দ্রবণীয় ফাইবার বাড়ানো

খাদ্যতালিকায় দ্রবণীয় ফাইবার বা সলিউবল ফাইবার বেশি রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। এই ফাইবার অন্ত্রে জেলের মতো স্তর তৈরি করে, যা শরীর থেকে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল বের করে দিতে সহায়তা করে। প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ গ্রাম দ্রবণীয় ফাইবার গ্রহণ করলেও এলডিএল কমতে পারে। ওটস, বার্লি, ডাল, ছোলা ও রাজমার মতো খাবারে এই উপাদান প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।

আরো পড়ুন : আম খেলে কি সত্যি শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে

স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া

অস্বাস্থ্যকর চর্বির পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি গ্রহণ করলে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়তে পারে। এর বদলে অলিভ অয়েল, বাদাম, বিভিন্ন বীজ ও সামুদ্রিক মাছ খেলে উপকার পাওয়া যায়।

উদ্ভিজ্জ প্রোটিন বাড়ানো

খাদ্যতালিকায় উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের পরিমাণ বাড়ানোর ওপরও জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সয়াবিন, টফু, ডাল ও শস্যজাতীয় খাবারে স্যাচুরেটেড ফ্যাট কম এবং উপকারী ফাইবার বেশি থাকে। এসব খাবার শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল শোষণ কমাতে সাহায্য করে। তবে প্রাণিজ প্রোটিন পুরোপুরি বাদ না দিয়ে ধীরে ধীরে কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখাকে কোলেস্টেরল কমানোর গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে দেখছেন চিকিৎসকেরা। শরীরে অতিরিক্ত মেদ থাকলে এলডিএলের পাশাপাশি ট্রাইগ্লিসারাইডও বেড়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মোট শরীরের ওজনের মাত্র ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমাতে পারলেও কোলেস্টেরলের মাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

নিয়মিত ব্যায়াম করা

নিয়মিত ব্যায়ামকে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের অন্যতম কার্যকর উপায় বলা হচ্ছে। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হাঁটা, সাইকেল চালানো কিংবা সাঁতারের মতো অ্যারোবিক ব্যায়াম হৃদ্‌যন্ত্র সুস্থ রাখতে সহায়তা করে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছে প্রত্যয় তরুণ সংঘ

কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছে প্রত্যয় তরুণ সংঘ

ঈদকে সামনে রেখে মসলার বাজারে দাম বৃদ্ধি

ঈদকে সামনে রেখে মসলার বাজারে দাম বৃদ্ধি

ওভেনে ভালো রান্নায় যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন

ওভেনে ভালো রান্নায় যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন

‘স্মার্টফোন মানুষের সাধ্যের মধ্যে আনতে চায় সরকার’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ‘স্মার্টফোন মানুষের সাধ্যের মধ্যে আনতে চায় সরকার’

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App