ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মধু গ্রেপ্তার
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ০৯:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঝালকাঠি জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধুকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১ জুন) মাগরিবের নামাজের পর রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান।
গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধু ঝালকাঠি শহরের পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার আব্দুল মন্নানের ছেলে। তিনি ২০২১ সালের ৩০ অক্টোবর ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব লাভ করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজাকে কেন্দ্র করে ধানমন্ডি থানার ১২ নম্বর সড়কের তাকওয়া মসজিদের পাশে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সমবেত হন। এ সময় তারা নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীদের একত্রিত করে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে মিছিল ও বিভিন্ন স্লোগান দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধুকে আটক করে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিঠুন সিংহ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা dায়ের করেন। মামলায় আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধুসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এক নম্বর আসামি হিসেবে আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধুকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ঘটনার পর ধানমন্ডি থানা কর্তৃপক্ষ ঝালকাঠি সদর থানার কাছে মাসুদ মধুর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর তথ্য চায়। এরই মধ্যে ঝালকাঠিতে দায়ের হওয়া তার বিরুদ্ধে থাকা পাঁচটি মামলার তথ্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, “ধানমন্ডি থানায় dায়ের হওয়া একটি মামলায় আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ঝালকাঠিতেও পাঁচটি মামলা রয়েছে। ইতোমধ্যে এসব মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট (পদ্ধতিগত গ্রেপ্তার) দেখানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে ঝালকাঠিতে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”
