‘বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৫৮ বিলিয়ন ডলার’
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
ফাইল ছবি
৩৬.৫৮ বিলিয়ন ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী এই রিজার্ভের পরিমাণ ৩১.৯৪ বিলিয়ন ডলার।
রোববার (১২ জুলাই) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এদিকে, আজ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী চলতি বছর ২৫ জুন পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রার বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক মূলত সরকারের বৈদেশিক দায়-দেনা নিষ্পত্তি এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
বর্তমানে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে পর্যাপ্ত তারল্য থাকায় ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকায় সামগ্রিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। আমদানি ঋণপত্র খোলা ও বৈদেশিক লেনদেন পরিচালনায় সামগ্রিকভাবে ডলার সংকট বিদ্যমান নেই।
এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্টে, ব্যাংকের নস্ট্রো অ্যাকাউন্টে এবং নগদ বৈদেশিক মুদ্রার সামষ্টিক মজুত প্রায় ২.১৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রয়েছে।
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো রপ্তানি আয়, প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এবং অন্যান্য বৈধ বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের মাধ্যমে নিজস্ব বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা পূরণ করে থাকে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আমদানি ঋণপত্র খোলা এবং এর বিপরীতে আমদানি মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত Net Open Position (NOP) Limit অনুসরণপূর্বক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সুতরাং, এলসি খোলার সক্ষমতা মূলত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নিজস্ব বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভরশীল। নিজস্ব উৎসের অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হলে ব্যাংকগুলো বৈদেশিক মুদ্রার আন্তঃব্যাংক বাজার হতে প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করতে পারে।
