×

শিক্ষা

কারিকুলাম তৈরি ও পর্যালোচনা এনসিটিবির কাজ

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৪, ০৪:৪৫ পিএম

কারিকুলাম তৈরি ও পর্যালোচনা এনসিটিবির কাজ

ছবি: সংগৃহীত

প্রতি বছর জাতীয় কারিকুলাম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রাথমিক স্তুরের ১০ কোটির বেশি বই ছাপানোর কাজ করে আসছে। কিন্তু সেই বই ছাপানোর কাজ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ছাপাতে চায় গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত সম্মতি মিলেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। তাই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রাথমিক স্তুরের বই নিজেরাই ছাপানোর কাজ শুরু হবে।  

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) সচিবালয়ে এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ।

সচিব বলেন, এনসিটিবির কাজ কারিকুলাম তৈরি ও পর্যালোচনা করা। বই ছাপানোর কাজটি প্রশাসনিক। অন্যদিকে এনসিটিবি প্রাথমিকের বই ছাপাতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ খরচ, সময় ও জটিলতা তৈরি হচ্ছে। প্রাথমিকের বই ছাপানোর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অনুকূলে অর্থ বরাদ্দ দেয়। সেই অর্থে এনসিটিবি বই ছাপায়। 

আরো পড়ুন: চলতি বছর প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক প্রতিটি বই ছাপানোর জন্য এনসিটিবিকে দুই টাকা ৬০ পয়সা করে সার্ভিস চার্জ দিতে হয়। সে হিসেবে প্রতি বছর ৩০ থেকে ৩৫ কোটি সার্ভিস চার্জ দিতে হয়। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বই ছাপালে এই টাকাটা সরকারের সাশ্রয় হবে। অন্যদিকে বইয়ের মান খারাপ হলে কখনো প্রাথমিক অধিদপ্তর, এনসিটিবি একে অন্যকে দোষারোপ করে। যেহেতু এনসিটিবি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান। তাই গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কোনো তদারকি ও খবরদারি করতে পারে না। প্রাথমিক অধিদপ্তর বই ছাপার কাজটি করলে তদারকি ও মান রক্ষা করতে সহজ হবে। 

ফরিদ আহাম্মদ বলেন, বাংলাদেশে প্রাথমিক স্তরে প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থী আছে। তাদের জন্য প্রতিবছর ১০ কোটির বেশি বই ছাপানো হয়ে থাকে। ১৩ বছর ধরে ৯৮ লটে ৩০-৩২টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব বই মুদ্রণ করা হচ্ছে। এই বই নিয়ে ৮-৯ বছর ধরে নানান সিন্ডিকেট কাজ করছে। এ জন্য বইয়ের মুদ্রণ ও কাগজের মান নিয়েও প্রতি বছর প্রশ্ন উঠছে। এসব বিতর্ক এড়াতেই প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবই নিজেরাই ছাপানোর উদ্যোগ নেয়। 

আরো পড়ুন: শেষ দিনে ৩৭ জনকে নিয়োগ দিয়ে গেলেন চবি উপাচার্য

২০২৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বৈঠক করে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরপর সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি চাওয়া হয়। প্রথম দফায় প্রধানমন্ত্রী কিছু সংশোধনী পাঠান। সেগুলোর সংশোধন করে ফের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়। গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় দফার প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর সায় মিলেছে বলে জানান সচিব। 

গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৫ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) পাঠ্যবই মুদ্রণের দায়িত্ব নিতে চায়। কিন্তু এটি করতে হলে এনসিটিবির আইনে পরিবর্তন আনতে হবে। তার জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হবে। তবে এটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ করছেন বিদেশি প্রকৌশলীরা

এফএসআরইউতে কারিগরি ত্রুটি গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ করছেন বিদেশি প্রকৌশলীরা

‘আর্টিকেল ৫১’ কি সাহাবুদ্দিনের রক্ষাকবচ?

‘আর্টিকেল ৫১’ কি সাহাবুদ্দিনের রক্ষাকবচ?

অর্থ আত্মসাতের সুযোগ নেই, প্রাপ্য সবার কাছে পৌঁছাবে

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অর্থ আত্মসাতের সুযোগ নেই, প্রাপ্য সবার কাছে পৌঁছাবে

পাকিস্তানে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ১২ সেনা সদস্যসহ নিহত ১৫

পাকিস্তানে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ১২ সেনা সদস্যসহ নিহত ১৫

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App