ইরানে ভূপাতিত মার্কিন ও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের প্রদর্শনী
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪১ এএম
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বিমানের ধ্বংসাবশেষ নিয়ে একটি বড় প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। এতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের সময় আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের হামলায় ভূপাতিত হয়েছে বলে দাবি করা একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষও প্রদর্শন করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযানে ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামের অংশও জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম আইআরআইবির প্রকাশ করা একটি টিজারে প্রদর্শনীতে রাখা বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষের ছবি উঠে এসেছে। সেখানে মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের পাইলটের ইজেকশন সিট, ককপিটের অংশ এবং বিমানের লেজের কিছু অংশ দেখা যায়। দাবি করা হয়েছে, এফ-১৫-এর এসব ধ্বংসাবশেষ এই প্রথমবারের মতো সাধারণ মানুষের জন্য প্রদর্শন করা হচ্ছে।
আরো পড়ুন: ইয়েমেনের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা, নিহত ৫৮
এ ছাড়া প্রদর্শনীতে আরো কয়েকটি মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বিমানের ধ্বংসাবশেষের পাশাপাশি ভূপাতিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন অংশও রাখা হয়েছে।
এর আগে আইআরজিসির মুখপাত্র জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজকে জানিয়েছিলেন, ‘১২ দিনের যুদ্ধের পর আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সকে নিজস্ব বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়।’
তার দাবি, ‘প্রকল্পটি দ্রুত সম্পন্ন করা হয় এবং এর মাধ্যমে একটি নতুন দেশীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা হয়, যা পরবর্তী সময়ে চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের সময় ব্যবহার করা হয়েছিল।’
মোহেব্বি আরো দাবি করেন, ‘সংঘাত চলাকালে ওই ব্যবস্থা সফলভাবে একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানকে প্রতিহত করেছিল।’
এদিকে, ওই সংঘাত চলাকালে এ অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে আইআরজিসির পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর বেশ কিছু সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকায় বিভিন্ন রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অ্যাওয়াকস বিমান, আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজ, চালকসহ ও চালকবিহীন যুদ্ধবিমান এবং বিমান রাখার সুরক্ষিত আশ্রয়কেন্দ্রও রয়েছে।
