কঙ্গোতে সামরিক বিমান বিধ্বস্তে নিহত ১৪
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫২ এএম
ছবি: সংগৃহীত
কঙ্গোর কেনজে শহরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সেনাবাহিনীর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কিকুইট শহর থেকে রাজধানী কিনশাসার দিকে যাচ্ছিল বিমানটি। উড্ডয়নের পর মাঝপথে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেনজে শহরে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করা হয়। তবে সেখানে বিমান অবতরণের উপযোগী কোনো রানওয়ে না থাকায় শেষ পর্যন্ত একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয় বিমানটি।
কোয়াঙ্গো প্রদেশের উপগভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা বলেন, ‘কেনজেতে কোনো অবতরণপথ না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক প্লটে বিধ্বস্ত হয়।’
কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেঞ্জে জানিয়েছেন, বিমান দুর্ঘটনায় ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বিমানে থাকা কেউই বেঁচে যাননি। নিহতদের মধ্যে ১২ জনের মরদেহ আগুনে এতটাই পুড়ে গেছে যে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া বিমানের বাইরে পাইলটের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আরো পড়ুন: আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে যা বললো যুক্তরাষ্ট্র
সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতদের মধ্যে কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক, দুই জেনারেলের সঙ্গে থাকা সরকারি প্রতিনিধিদলের সদস্য এবং অন্যান্য সামরিক কর্মীগণ ছিলেন।
কোয়াঙ্গো প্রদেশের উপগভর্নর বোকিন্ডাও জানিয়েছেন, নিহতদের অধিকাংশের মরদেহ আগুনে পুড়ে শনাক্তের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সামরিক মুখপাত্র একেঞ্জে।
মধ্য আফ্রিকার খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআরসি) দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র সংঘাতের মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে রুয়ান্ডা সীমান্তসংলগ্ন পূর্বাঞ্চলে মূল্যবান খনিজসম্পদের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে বছরের পর বছর ধরে সংঘর্ষ চলছে।
গত বছর থেকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শহর দখলে নেওয়া বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কঙ্গোর সেনাবাহিনী একাধিক এলাকায় অভিযান ও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
