পি কে হালদারের সহযোগী অভিজিতের ৭ বছরের কারাদণ্ড
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে বিদেশে পালিয়ে থাকা প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারের সহযোগী ও সুখাদা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক অভিজিৎ অধিকারী তীর্থকে দুর্নীতির মামলায় পৃথক দুই ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার (২২ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান এ রায় দেন।
সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় অভিজিৎ অধিকারীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে; এছাড়া জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে তাকে দেওয়া হয়েছে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড।
পাশাপাশি এক কোটি ৩৫ লাখ পাঁচ হাজার ২৮৪ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে; অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৩০ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। এছাড়া জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে অর্জিত সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ এসেছে রায়ে।
দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। এক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব দে।
তিনি বলেন, মামলার শুরু থেকেই আসামি পলাতক রয়েছেন। আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।
২০২৩ সালের ৬ মার্চ দুদকের সহকারী পরিচালক মানসী বিশ্বাস এ মামলা করেন। মামলায় অভিজিতের বিরুদ্ধে এক কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ ভোগ দখলের অভিযোগ আনা হয়।
এছাড়া নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অপরাধও তুলে ধরা হয়।। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ মে দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন অভিজিতের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে এক কোটি ৩৫ লাখ পাঁচ হাজার ২৮৪ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়।
২০২৫ সালের ১৩ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত পাঁচ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেননি।
মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত থেকে আজ সাজার রায় এল।
