মুক্ত গণমাধ্যম দিবস
এখনো বহুমাত্রিক সংকটে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম
সেবিকা দেবনাথ
প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬, ০২:১৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক, বাকস্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার স্বীকৃতি রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রকে এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে সাংবাদিক ও নাগরিকরা ভয় বা হয়রানির শঙ্কা ছাড়াই মত প্রকাশ করতে পারেন। একইসঙ্গে সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্রের ১৯ অনুচ্ছেদ এবং আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত চুক্তির (আইসিসিপিআর) ১৯ অনুচ্ছেদে তথ্য অনুসন্ধান, গ্রহণ ও প্রচারের স্বাধীনতাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে গণমাধ্যম কখনোই পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন ছিল না। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে সরকারগুলো গণমাধ্যমকে মূলত যোগাযোগের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর অন্তবর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম অফিস দখল, নির্বিচারে কর্মী ছাটাই, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, জিজ্ঞাসাবাদের নামে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে হয়রানি এবং গ্রেপ্তারের মতো ঘটনা ঘটে।
প্রায় ১৮ মাসের বেশি সময় হত্যা মামলায় আটক রয়েছেন ৫ জন সাংবাদিক। তবে তাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি এবং কোনো আনুষ্ঠানিক চার্জশিটও জমা দেয়া হয়নি। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এসব মামলা প্রত্যাহার করে কারারুদ্ধ এই ৫ সাংবাদিকের বিভিন্ন সময় মুক্তি দাবি করে আসছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো। কিন্তু সেই দাবির প্রতিফলন এখনো পর্যন্ত দেখা যায়নি। কারাবন্দি সাংবাদিকরা হলেন- শ্যামল দত্ত, শাহরিয়ার কবির, মোজাম্মেল হক বাবু, শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপা।
কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানিয়ে সম্প্রতি আইনমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাংবাদিকদের অধিকার বিষয়ক সংস্থা কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। সংস্থাটি বাংলাদেশ সরকারকে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করে কারারুদ্ধ সাংবাদিকদের মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানায়। সিপিজে অভিযোগ করেছে, আগের সরকারের সময় রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে প্রতিশোধমূলকভাবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংস্থাটি আরো বলেছে, প্রায় ৬০০ দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ এখনো আইনগত বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী চার্জশিট দাখিল করতে পারেনি। এসব ঘটনা বাংলাদেশের সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় এবং সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
অপরদিকে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, অধিকার ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্সের (আরএসএফ) প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সূচকে এবার বাংলাদেশের তিন ধাপ অবনতি হয়েছে। এ বছর বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২তম, গত বছর এই অবস্থান ছিল ১৪৯তম। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস সামনে রেখে ‘বৈশ্বিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক’ শীর্ষক এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংগঠনটি। সংগঠনটি বলছে, সারাবিশ্বেই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা গত ২৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বিশ্ব সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সূচকের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অর্ধেকেরও বেশি দেশ ‘কঠিন’ অথবা ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ পর্যায়ে যুক্ত হয়েছে। আরএসএফ তাদের প্রতিবেদনে বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও সাংবাদিক ও ব্লগারদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন ও সাইবার সিকিউরিটি আইন প্রায়ই ব্যবহার করা হয়েছে উল্লেখ করে বলা হয়, শেখ হাসিনার পতনের পর শুরু হওয়া রাজনৈতিক শুদ্ধি অভিযানের সময় ১৩০ জনেরও বেশি সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মামলা করা হয়। বিশেষ করে ‘হত্যা’ ও ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ অভিযোগে এদের মধ্যে ৫ জন আটক হন। এছাড়া সাংবাদিকতা পেশাটি এখনো মূলত পুরুষশাসিত, আর নারী সাংবাদিকরা গভীরভাবে শেকড় গেঁড়ে থাকা হয়রানির সংস্কৃতির মুখোমুখি হন এবং নিজেদের অধিকার প্রকাশ্যে রক্ষার চেষ্টা করলে অনলাইন বিদ্বেষমূলক অভিযানের শিকার হন- বলে বলা হয়েছে আরএসএফের প্রতিবেদনে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলছে, দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো বহুমাত্রিক সংকট ও চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তারের আশঙ্কা, ডিজিটাল মাধ্যমে মত প্রকাশের কারণে হয়রানি, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় চাপ, মালিকানাগত প্রভাব, আত্মনিয়ন্ত্রণমূলক সেন্সরশিপ এবং মাঠ পর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহে বাধা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিসর সংকুচিত করছে। অনেক ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হুমকি ও নজরদারির অভিযোগও উঠে আসে। তথ্য অধিকার আইন কার্যকর প্রয়োগের সীমাবদ্ধতা, সরকারি তথ্যপ্রাপ্তিতে অনীহা এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য গোপন রাখার প্রবণতা গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতাকে দুর্বল করছে। ফলে গণমাধ্যম তথ্য প্রাপ্তিতে বাধাগ্রস্ত হলে জনগণও সত্য জানার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।
আসক প্রত্যাশা করে, সাংবাদিক ও গণমাধ্যম কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থি আইন, নীতি বা অপব্যবহার পর্যালোচনা ও সংস্কার, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হামলা, সহিংসতা ও হয়রানির ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
গতকাল শনিবার বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সভ্যতার জন্য তথ্য এক ধরনের অক্সিজেন সমতুল্য বিষয়। তাই এমন অক্সিজেন সমতুল্য তথ্য প্রবাহের বিষয়টিকে আমাদের অবশ্যই সুনিশ্চিত করতে হবে। শুধু মুক্ত গণমাধ্যম নয়, এর সঙ্গে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। আগের সরকার গণমাধ্যমে কর্তৃত্ব প্রকাশ করতে চেয়েছে, কিন্তু বর্তমান সরকার সেই চরিত্র থেকে বের হয়ে এসেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ না করলে দেশ এগিয়ে যাবে না। অনুষ্ঠানে অন্য বক্তারা দেশের রাজনীতি ঠিক হলেই সাংবাদিকতা ঠিক হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশের গণমাধ্যম নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের র্যাঙ্কিংয়ের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও এন্ড কমিউনিকেশনের (বিএনএনআরসি) নির্বাহী পরিচালক এএইচএম বজলুর রহমান। তিনি ভোরের কাগজকে বলেন, র্যাঙ্কিংগুলো যে করা হচ্ছে এর তথ্য নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে। আরএসএফ, ফ্রিডম হাউজ ও আর্টিক্যাল ১৯-এই তিনটা প্রতিষ্ঠানের তথ্যের কথা যদি বলি তাহলে দেখব একেক প্রতিষ্ঠানের র্যাঙ্কিং এক এক রকম।
আরএসএফ বলছে, ১৮০টা দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২তম। ফ্রিডম হাউজের তথ্য বলছে, ১৯৯টা দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৫। আর আর্টিক্যাল ১৯-এর তথ্য বলছে ১৬১টি দেশের মধ্যে ১২৭তম অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। এখানে আমার ৪টা প্রশ্ন। সেগুলো হলো- কারা এই রিপোর্ট তৈরি করে? কী রিপোর্ট তৈরি করে? এক্ষেত্রে সরকারের মতামত নেয়া হয়েছে কি না; ডাটা সোর্সের উৎস কী; এই রিপোর্ট করার উদ্দেশ্যটা কী? কারণ আমার কাছে উদ্দেশ্যটাই গোলমেলে মনে হয়। কেউ মুক্ত গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে করে, কেউ ডিপস্টেটের উদ্দেশে করে কি না জানি না। আমার দেশের সঙ্গে ওই স্ক্যান্ডিনেভিয়ার কোনো দেশের মিল নাই। ঢাকা শহরের যে লোকজন থাকে, স্ক্যান্ডিনেভিয়ার একটি দেশের মোট জনগোষ্ঠীই তত। সুতরাং সেই দেশের সঙ্গে আমার দেশের তুলনা চলতে পারে না। ওই দেশের মডেল দিয়ে বাংলাদেশের প্রেস ফ্রিডম দেখলে হবে না।
এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য নিজস্ব মিডিয়া ফ্রিডম ইনডেক্স তৈরি করার পরামর্শ দেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক থেকে শুরু করে, রিসার্চার, সাংবাদিকসহ বহুপক্ষীয় অংশীজনের মাধ্যমে এই মিডিয়া ইনডেক্স তৈরি করতে হবে। তা হলে অন্যদের করা প্রতিবেদন, যেমন কয় ধাপ এগুলো, কয় ধাপ পিছালো এই বিষয়গুলো থেকে মুক্তি মিলবে।
তার মতে, মোটাদাগে বাংলাদেশের গণমাধ্যম কখনোই পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন ছিল না। আংশিক ছিল। তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা কখনোই সম্ভব নয়। আমাদের মিডিয়া হতে হবে আমাদের দেশের আঙ্গিকে, ভারসাম্যমূলক। যেখানে রাজনীতি গোলমেলে সেখানে গণমাধ্যম কীভাবে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন থাকবে? আগে রাজনীতি ঠিক করতে হবে, তারপর মুক্ত গণমাধ্যম। আমাদের মতো দেশে সব কিছুতেই গোলমেলে অবস্থা। সেখানে প্রেস ফ্রিডম পারফেক্ট হতে পারে না।
দীর্ঘ কাজের অভিজ্ঞতা থেকে বজলুর রহমান বলেন, পূর্ণাঙ্গ প্রেস ফ্রিডমের অর্থ কী এটি নিয়েই আমি চ্যালেঞ্জ করেছিলাম। এই চ্যালেঞ্জের জবাব দিতে পারে একমাত্র বাংলাদেশের আঙ্গিকে তৈরি করা একটি মডেল। আমাদের সহায়ক মিডিয়া রেগুলেশন, সেলফ রেগুলেশন দরকার। মিডিয়ার মালিকানাও ঠিক করতে হবে। ঠিক করতে হবে একজন মালিকানায় একাধিক মিডিয়া থাকতে পারবে কি না। মিডিয়া ডিজিটালাইজেশনও আমাদের লাগবে। এছাড়া মিডিয়া প্রোফেশনাল ডেভেলপমেন্টও দরকার।
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ
এই প্রেক্ষাপটে ‘শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠন : মানবাধিকার, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রসার’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ রবিবার পালিত হচ্ছে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। ১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ৩ মে তারিখটিকে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম’ দিবসের স্বীকৃতি দেয়া হয়। এরপর থেকেই বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যম কর্মীরা এই দিবসটি পালন করে আসছে। দিবসটিতে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ নেয়ার পাশাপাশি ত্যাগী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো হয়।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে দেশের সাংবাদিকরা পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন।
দিবসটি উপলক্ষে আজ রবিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। সকাল ৯টায় অফিসার্স ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে তথ্য ভবন কমপ্লেক্সে গিয়ে শেষ হবে। সকাল সাড়ে ৯টায় সার্কিট হাউস রোডে অবস্থিত তথ্য ভবন কমপ্লেক্সের চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ইউনেস্কো ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। সকাল ১০টায় মাইডাস সেন্টারের মেঘমালা হলে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়) ডা. জাহেদ উর রহমান। এছাড়া আলোচক ছিলেন ইউনেস্কোর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ সুজান ভাইজ, জার্মান দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত, সুইডেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ও টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রমুখ।
