নববর্ষে দেশজুড়ে সরকারের ব্যাপক কর্মসূচি
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে সরকার দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। উৎসবকে ঘিরে সাংস্কৃতিক আয়োজন, মেলা, শোভাযাত্রা ও জনসাধারণের জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
নববর্ষ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিবদের বাণী সংবলিত বিশেষ ক্রোড়পত্র দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে।
১৪ এপ্রিল সকালে রাজধানীর রমনা বটমূল-এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে ছায়ানট ও জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)। প্রতিটি অনুষ্ঠান জাতীয় সংগীত এবং ‘এসো হে বৈশাখ’ গান পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হবে।
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর চারুকলা অনুষদ আয়োজন করবে ঐতিহ্যবাহী ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। এবারের শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’।
নববর্ষের অনুষ্ঠানগুলো দেশের সব সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন, রেডিও ও কমিউনিটি রেডিওতে সম্প্রচারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ উপলক্ষে বাংলা একাডেমি এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন যৌথভাবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১৪ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সাত দিনব্যাপী মেলা, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করবে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ২০ এপ্রিল থেকে ১৪ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করবে।
নববর্ষ উপলক্ষে দেশের সব কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে ঐতিহ্যবাহী খাবার সরবরাহ এবং শিশুদের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
এদিন সব জাদুঘর ও প্রত্নস্থান সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। শিশু-কিশোর, শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ পাবে।
প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় বৈশাখী শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লোকজ মেলা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। ইউনিয়ন পর্যায়েও শোভাযাত্রার ব্যবস্থা করবে স্থানীয় প্রশাসন।
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজ নিজ ব্যবস্থাপনায় উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ উদযাপন করবে। পাশাপাশি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোও নিজস্বভাবে অনুষ্ঠান আয়োজন করবে।
নববর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন অভিজাত হোটেল ও ক্লাবেও বিশেষ অনুষ্ঠান ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের আয়োজন থাকবে।
এদিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা পার্ক এলাকায় পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা, টয়লেট ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা রাখা হবে। সারাদেশে নববর্ষের অনুষ্ঠানকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
