পর্তুগালে অবৈধ অভিবাসন কঠিন হচ্ছে
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৩, ০২:২১ এএম
পর্তুগালের ক্ষমতাসীন সোশ্যালাষ্ট পার্টির নেতা রানা তসলিম উদ্দিন
পর্তুগালের অভিবাসন প্রক্রিয়ায় গত ২৯ অক্টোবর একটি আমূল পরিবর্তন হয়েছে। পর্তুগিজ ইমিগ্রেশন এবং বর্ডার সার্ভিস (এসইএফ) পুনর্গঠিত হয়ে এজেন্সি ফর ইন্টিগ্রেশন মাইগ্রেশন এন্ড অ্যাসাইলাম বা আইমাতে রূপান্তরিত হয়েছে। মূলত সীমানা নিয়ন্ত্রণ এবং অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আলাদা করার জন্যই এই নতুন সংগঠনের সৃষ্টি।
নবগঠিত অভিবাসনের নতুন সংস্থাটি শুধুমাত্র অভিবাসী এবং আশ্রয়প্রার্থীদের গ্রহণ এবং এদের এ নিয়মিত করুন প্রক্রিয়া তদারকি করবে। সীমানা নিয়ন্ত্রণ তথা এয়ারপোর্ট ও নৌ বন্দরগুলোতে পুলিশ, জি এন আর ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে। মানব পাচার এবং অনিয়মিত অভিবাসন সংক্রান্ত প্রতিরোধে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে বিচার বিভাগীয় পুলিশকে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আনা কাটারিনা গত ৩ নভেম্বর একটি আইমার সেন্টার উদ্বোধন কালে বলেছেন, অভিবাসীদের পর্তুগিজ ভাষা শিক্ষা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে দেখছেন এবং নতুন সংস্থাটি ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র চালু করবে। অর্থাৎ পর্তুগালে নিয়মিতভাবে বসবাস করার ক্ষেত্রে ভাষা শিক্ষা একটি বাধ্যতামূলক হতে যাচ্ছে এমনটাই ইঙ্গিত পাওয়া গেল তার কথায় তবে বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করে বলেননি।
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত পর্তুগালের বাংলাদেশ কমিউনিটির অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব এবং দেশটির ক্ষমতাসীন সোশ্যালাষ্ট পার্টির নেতা রানা তসলিম উদ্দিন বলেন, আইমা গঠন পর্তুগালের অভিবাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। সংগঠনটি এখন স্বাধীনভাবে স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজ করতে পারবে এবং পর্তুগালে নিরাপদ অভিবাসন আরো বেশি উৎসাহিত হবে। তবে জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে নতুন এই সংগঠন বর্তমানে ইইউর এস আই এস সহ জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে অভিবাসীদের বসবাসের অনুমতি প্রদান করবে ফলে এতে অবৈধ অভিবাসনের কোন সুযোগ নেই।
[caption id="attachment_474447" align="alignnone" width="1400"]
পর্তুগালের ক্ষমতাসীন সোশ্যালাষ্ট পার্টির নেতা রানা তসলিম উদ্দিন[/caption]
উদাহরণ হিসেবে তিনি আরো বলেন, পর্তুগালের ইতিহাস ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হচ্ছে পর্তুগিজ ভাষা তাই সরকার অন্য ভাষাভাষী অভিবাসীদের পর্তুগালে বসবাস করতে হলে পর্তুগিজ ভাষা সম্পর্কে দক্ষতার বিষয়টি সমন্বিত করা হবে এমনকি খুব শীঘ্রই পর্তুগিজ জাতীয়তা অর্জনের ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট এর পাশাপাশি পর্তুগিজ ভাষায় দক্ষতার প্রমাণস্বরূপ আবেদনকারীকে কর্তৃপক্ষের নিকট মৌখিক ও লিখিত পরীক্ষা প্রদান করার বিষয়টি যুক্ত হতে যাচ্ছে।
অপরদিকে চলতি বছরের শুরু থেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সেনজেন ইনফরমেশন সিস্টেম (এসেআইএস) এর অ্যালার্ট প্রক্রিয়া পর্তুগালের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কার্যকর করার কারণে অভিবাসীরা পর্তুগালের নিয়মিত হতে জটিলতায় পড়ছেন। এইএসআইএস সিস্টেমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সেনজেন অঞ্চলে বসবাসকারী সকল বিদেশি নাগরিকদের তথ্য সন্নিবেশিত করা হয়। তাছাড়া বিদেশী নাগরিকদের উপর নজরদারি করতে হলে এই সিস্টেমে একটি অ্যালার্ট জারি করা হয়।
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ঘুরে ভুক্তভোগী বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশী সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে পর্তুগালে নিয়মিত হওয়ার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পর, যখন পর্তুগিজ অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নিকট চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থিত হন। তখন জানতে পারেন যে তার অন্য দেশে বসবাসের তথ্য অথবা অ্যালার্ট রয়েছে। ফলে দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় অপেক্ষা করার পরও বর্তমানে তাদের পর্তুগালের বসবাস অনুমতি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে সুযোগ সন্ধানী হিসেবে অনেক অভিবাসী ইউরোপের দুইটি দেশে নিয়মিত হবার প্রক্রিয়া সচল রাখার কারণে খুব সহজেই বিষয়টি পর্তুগিজ অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে এবং তাদেরকে পর্তুগাল ছেড়ে যাওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য বিদেশী নাগরিকদের সাথে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশী ও রয়েছে।
পর্তুগিজ বর্ডার এবং ইমিগ্রেশন সার্ভিসের পুনর্গঠনের পর অভিবাসীদের নিয়মিত করুন অথবা বসবাস অনুমতি প্রদানের জন্য দুটি প্রতিষ্ঠানকে, সীমানায় নিয়ন্ত্রণ ও অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে পাঁচটিরও বেশি নিরাপত্তা বাহিনীর সংস্থা কাজ করবে। এর ফলে পর্তুগালে যারা নিয়মিত হবেন তাদের বিভিন্ন তথ্য আরো গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে একই সাথে অবৈধ অনুপ্রবেশও প্রতিবন্ধকতা থাকবে।
পর্তুগালের ক্ষমতাসীন সোশ্যালাষ্ট পার্টির নেতা রানা তসলিম উদ্দিন[/caption]
উদাহরণ হিসেবে তিনি আরো বলেন, পর্তুগালের ইতিহাস ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হচ্ছে পর্তুগিজ ভাষা তাই সরকার অন্য ভাষাভাষী অভিবাসীদের পর্তুগালে বসবাস করতে হলে পর্তুগিজ ভাষা সম্পর্কে দক্ষতার বিষয়টি সমন্বিত করা হবে এমনকি খুব শীঘ্রই পর্তুগিজ জাতীয়তা অর্জনের ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট এর পাশাপাশি পর্তুগিজ ভাষায় দক্ষতার প্রমাণস্বরূপ আবেদনকারীকে কর্তৃপক্ষের নিকট মৌখিক ও লিখিত পরীক্ষা প্রদান করার বিষয়টি যুক্ত হতে যাচ্ছে।
অপরদিকে চলতি বছরের শুরু থেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সেনজেন ইনফরমেশন সিস্টেম (এসেআইএস) এর অ্যালার্ট প্রক্রিয়া পর্তুগালের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কার্যকর করার কারণে অভিবাসীরা পর্তুগালের নিয়মিত হতে জটিলতায় পড়ছেন। এইএসআইএস সিস্টেমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সেনজেন অঞ্চলে বসবাসকারী সকল বিদেশি নাগরিকদের তথ্য সন্নিবেশিত করা হয়। তাছাড়া বিদেশী নাগরিকদের উপর নজরদারি করতে হলে এই সিস্টেমে একটি অ্যালার্ট জারি করা হয়।
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ঘুরে ভুক্তভোগী বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশী সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে পর্তুগালে নিয়মিত হওয়ার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পর, যখন পর্তুগিজ অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নিকট চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থিত হন। তখন জানতে পারেন যে তার অন্য দেশে বসবাসের তথ্য অথবা অ্যালার্ট রয়েছে। ফলে দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় অপেক্ষা করার পরও বর্তমানে তাদের পর্তুগালের বসবাস অনুমতি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে সুযোগ সন্ধানী হিসেবে অনেক অভিবাসী ইউরোপের দুইটি দেশে নিয়মিত হবার প্রক্রিয়া সচল রাখার কারণে খুব সহজেই বিষয়টি পর্তুগিজ অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে এবং তাদেরকে পর্তুগাল ছেড়ে যাওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য বিদেশী নাগরিকদের সাথে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশী ও রয়েছে।
পর্তুগিজ বর্ডার এবং ইমিগ্রেশন সার্ভিসের পুনর্গঠনের পর অভিবাসীদের নিয়মিত করুন অথবা বসবাস অনুমতি প্রদানের জন্য দুটি প্রতিষ্ঠানকে, সীমানায় নিয়ন্ত্রণ ও অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে পাঁচটিরও বেশি নিরাপত্তা বাহিনীর সংস্থা কাজ করবে। এর ফলে পর্তুগালে যারা নিয়মিত হবেন তাদের বিভিন্ন তথ্য আরো গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে একই সাথে অবৈধ অনুপ্রবেশও প্রতিবন্ধকতা থাকবে।
