ফয়জুল করীমের সঙ্গে কুবিতে ঢুকতে না পেরে ফটকেই নামাজ আদায়
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও তার সঙ্গে আসা দলীয় নেতাকর্মীদের ভেতরে ঢুকতে দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটে। পরে ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পেরে নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনেই আসরের নামাজ আদায় করেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এ ঘটনা ঘটে।
জুলাই শহীদদের স্মরণে আয়োজিত দোয়া ও ইসলাহী ইজতেমায় অংশ নিতে কুবি ক্যাম্পাসে আসেন মুফতি ফয়জুল করিম। তবে ক্যাম্পাসে আগে থেকেই বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় প্রশাসন শুধু মুফতি ফয়জুল করীমকে প্রবেশের অনুমতি দেয়। তার সঙ্গে আসা দলীয় নেতাকর্মীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
নেতাকর্মীরা জোরপূর্বক ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে কয়েকজন নেতাকর্মী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারলেও অধিকাংশই প্রধান ফটকের বাইরে অবস্থান নেন। এতে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
আরো পড়ুন: সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের ৫ নির্দেশনা দিলো আন্তঃশিক্ষা বোর্ড
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রবেশের সুযোগ না পেয়ে নেতাকর্মীরা প্রধান ফটকের সামনেই জামাতে আসরের নামাজ আদায় করেন। অন্যদিকে, মুফতি ফয়জুল করীম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে আসরের নামাজ আদায় করে দোয়া মাহফিলে অংশ নেন এবং নামাজ শেষে বিজয়-২৪ হলে স্থাপিত একটি ফার্স্ট এইড বক্সের উদ্বোধন করেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কুমিল্লা মহানগরের এনামুল হক মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই আন্দোলনের অন্যতম অগ্রনায়ক মুফতি ফয়জুল করীমকে নিয়ে কেন্দ্রীয় মসজিদে আসরের নামাজের পর জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিলের আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অনুমতির আবেদন করা হলেও তারা অনুমতি দেয়নি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন, “আমরা শুধু মুফতি ফয়জুল করিমকে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছি। বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় বহিরাগতদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট নন, তারাই বহিরাগত।”
