ভোরের কাগজে সংবাদ প্রকাশ
রায়গঞ্জ সড়কে অস্থায়ী সংস্কার, কমেছে জনদুর্ভোগ
রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
ছবি : ভোরের কাগজ
দৈনিক ভোরের কাগজে সংবাদ প্রকাশের পর সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ পৌরসভার ধানগড়া গোলচত্বরের বেহাল সড়কে অস্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী মোশাররফ হোসেন আকন্দ নিজ উদ্যোগে সড়কের বিভিন্ন গর্তে ইট, ইটের খোয়া (আদলা) ও রাবিশ ফেলে চলাচলের উপযোগী করে দেন। এতে কয়েক দিন ধরে কাদা-পানির কারণে চরম ভোগান্তিতে থাকা পথচারী ও যানবাহনের চালকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
এর আগে সড়ক সংস্কার ও ড্রেন নির্মাণকাজের ধীরগতির কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই ধানগড়া গোলচত্বর এলাকায় কাদা ও পানিতে একাকার হয়ে যায়। সড়কের বিভিন্ন গর্তে পানি জমে থাকায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছিল পথচারী, মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, বাস ও ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনকে। বিষয়টি নিয়ে শনিবার (১১ জুলাই) দৈনিক ভোরের কাগজ-এ সংবাদ প্রকাশিত হলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে।
রোববার সকালে শ্রমিক দিয়ে সড়কের গর্তগুলোতে ইট, ইটের খোয়া ও রাবিশ ফেলে অস্থায়ীভাবে সংস্কারের ব্যবস্থা করেন মোশাররফ হোসেন আকন্দ। ফলে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে এবং কাদা-পানিজনিত দুর্ভোগও অনেকটাই কমেছে।
মোশাররফ হোসেন আকন্দ বলেন, “ধানগড়া গোলচত্বর রায়গঞ্জ পৌরসভা ও উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। দীর্ঘদিন ধরে এটি বেহাল অবস্থায় থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ না দেখে নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই সড়কটি সাময়িকভাবে চলাচলের উপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছি। এটি স্থায়ী সমাধান নয়। দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ হলে মানুষের দুর্ভোগ স্থায়ীভাবে দূর হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অস্থায়ী সংস্কারের ফলে মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ অন্যান্য যানবাহন আগের তুলনায় সহজে চলাচল করতে পারছে। তবে বর্ষা মৌসুমে নতুন করে দুর্ভোগ এড়াতে দ্রুত সড়ক ও ড্রেন নির্মাণকাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, ধানগড়া গোলচত্বর রায়গঞ্জ উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়কসংযোগ। এ সড়ক দিয়ে উপজেলা পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, থানা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ফায়ার সার্ভিস, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন হাজারো মানুষ এবং শত শত যানবাহন চলাচল করে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান নির্মাণকাজের ধীরগতির কারণে এ সড়কে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছিল।
