হাড়কাঁপানো শীতে কাবু পঞ্চগড়, তাপমাত্রা ৭.৭ ডিগ্রি
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:০৬ এএম
ছবি : সংগৃহীত
পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ। ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। টানা কয়েক দিনের শীত ও কুয়াশায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, শিশু ও বয়স্করা।
রোববার (১১ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় জেলার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল শতভাগ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার।
এর আগের দিন শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার। ওই দিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
চলতি শীত মৌসুমে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এ মৌসুমের সর্বনিম্ন। ওই দিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন বুধবার (৭ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত কয়েক দিন ধরে সকালবেলা সূর্যের দেখা মিলছে না। দুপুরে কিছু সময় সূর্য দেখা গেলেও তাতে কাঙ্ক্ষিত উষ্ণতা পাওয়া যাচ্ছে না। রোববার ভোর থেকেই পঞ্চগড়ের গ্রাম ও শহরের সড়ক-মহাসড়ক ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক চালককে ধীরগতিতে গাড়ি চালাতে দেখা গেছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। টানা দুই দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ার পর বর্তমানে জেলায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিন এই শীত পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
