দেড় কোটির দুটি কষ্টিপাথরসহ তিনজন গ্রেপ্তার
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পাচারকারীর বাড়ি থেকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার টাকা মূল্যের দুইটি কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া একটায় ২০ বিজিবি জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের দইহারা গ্রামে অভিযান চালিয়ে মূর্তিগুলো উদ্ধার করা হয়। বিজিবির দাবি, এসব মূর্তি পার্শ্ববর্তী দেশে পাচারের জন্য চক্রের সদস্যরা নিজেদের হেফাজতে রেখেছিল।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দইহারা গ্রামের আরিফ হোসেনের ছেলে আলিপ হোসেন (২২), একই গ্রামের বুরুজ মিয়ার স্ত্রী মোছা. সরজিনা আক্তার (৩০) এবং একই উপজেলার পণ্ডিতপুর জিড়াই গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে এনামুল হক (৫০)।
বিজিবির জানায়, নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে, একটি সংঘবদ্ধ মূর্তি পাচারকারী দল গত কিছুদিন যাবৎ পার্শ্ববর্তী দেশে পাচারের উদ্দেশ্যে কয়েকটি মূল্যবান কষ্টিপাথরের মূর্তি জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার মাত্রাই ও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ সীমান্তবর্তী দইহারা গ্রামে পাচারকারীর বাড়িতে রাখা হয়েছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি ও পুলিশের একটি যৌথ অভিযানে দইহারা গ্রামে দুটি কষ্টিপাথরের সন্ধান পেয়ে সেগুলো উদ্ধার করা হয় এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া কষ্টিপাথর দুটির মান নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে যাচাই করা হয় এবং ডিজিটাল মেশিনে ওজন করা হয়। বড় কষ্টিপাথরের ওজন প্রায় ১১৯ কেজি এবং ছোট মূর্তিটির ওজন প্রায় ১৬ কেজি ৮৭০ গ্রাম। বিজিবির সদর দপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী কষ্টিপাথর দুটির আনুমানিক দাম ১ কোটি ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক এজাহার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এই ঘটনায় ২০ বিজিবির জেসিও-১০৯২৭ মোঃ সেকেন্দার আলী বাদী হয়ে আটক তিনজনসহ পলাতক ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গোবিন্দগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।
