×

প্রতিক্রিয়া

জাতিসংঘ শিশু অধিকার কনভেনশন ও বাংলাদেশের শিশুদের রক্তাক্ত বাস্তবতা

Icon

রাসেল আহমদ

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬, ০৫:২৬ পিএম

জাতিসংঘ শিশু অধিকার কনভেনশন ও বাংলাদেশের শিশুদের রক্তাক্ত বাস্তবতা

ছবি: সংগৃহীত

১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত ‘শিশু অধিকার বিষয়ক জাতিসংঘ কনভেনশন’ ছিল মানবসভ্যতার এক বড় প্রতিশ্রুতি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে বিশ্ব তখন বুঝেছিল, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে সভ্যতার ভবিষ্যৎও নিরাপদ থাকবে না। সেই উপলব্ধি থেকেই বলা হয়েছিল- শিশু কেবল করুণা বা দয়ার পাত্র নয়; সে পূর্ণ মানবিক মর্যাদাসম্পন্ন একজন মানুষ। তার বেঁচে থাকা, নিরাপত্তা, শিক্ষা, চিকিৎসা, পরিচয় ও মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বাংলাদেশও সেই কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এ দেশের অসংখ্য শিশু আজও নিরাপদ নয়। তারা নিরাপদ নয় ঘরে, স্কুলে, রাস্তায়, কর্মক্ষেত্রে- এমনকি অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতালেও নয়। রাষ্ট্র আইন করেছে, নীতি করেছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার করেছে; কিন্তু শিশুদের জীবন রক্ষার জায়গায় ভয়াবহ দুর্বলতা রয়ে গেছে।

শিশু অধিকার কনভেনশনের ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ শিশুর বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত করেছে। ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদ বলেছে, শিশুদের সব ধরনের সহিংসতা থেকে রক্ষা করতে হবে। ২৪ নম্বর অনুচ্ছেদ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার অধিকার নিশ্চিত করেছে। ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদ শিক্ষা, ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ শিশুশ্রম বন্ধ, ৩৪ নম্বর অনুচ্ছেদ যৌন শোষণ প্রতিরোধ এবং ৩৭ নম্বর অনুচ্ছেদ নিষ্ঠুর ও অমানবিক আচরণ বন্ধের কথা বলেছে। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতা প্রায় সব ক্ষেত্রেই উল্টো চিত্র দেখাচ্ছে।

সম্প্রতি ঢাকার পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এক মাসের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন করা হবে। কিন্তু এখানেই বড় প্রশ্নটি উঠে আসে। শুধুই কি রামিসার ঘটনায় এই তড়িৎ বিচার? প্রতিদিন দেশে যে শিশু ধর্ষণ, হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে, সেগুলোর বিচারও কি একই গতিতে হবে? নাকি আলোচিত কিছু ঘটনার বাইরে বাকিগুলো ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে মামলার জট, তদন্তের গাফিলতি আর সামাজিক বিস্মৃতির ভেতরে?

শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার চিত্র বাংলাদেশে ভয়াবহ। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রতি ১০ শিশুর মধ্যে ৯ শিশু নিয়মিত সহিংস পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। আরেকটি গবেষণায় বলা হয়েছে, ৯৫ দশমিক ৮ শতাংশ শিশু ঘরে, স্কুলে কিংবা কর্মক্ষেত্রে নির্যাতনের শিকার হয়। মেয়েশিশুরা সবচেয়ে বেশি যৌন নির্যাতনের শিকার হয় নিজের ঘরেই। পরিবার, যা শিশুর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হওয়ার কথা, অনেক সময় সেটিই হয়ে উঠছে ভয় ও নীরবতার জায়গা।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য বলছে, গত চার মাসে দেশে ১১৮ কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত ১৬ মাসে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে ৫২২ শিশু। মানবাধিকার সংগঠন 'এইচআরএসএস' জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ৫৮০ শিশু ধর্ষণ এবং ৩১৮ শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সংখ্যাগুলো পড়তে খুব ছোট মনে হয়। কিন্তু প্রতিটি সংখ্যার পেছনে আছে একটি শিশুর থেমে যাওয়া শৈশব, একটি পরিবারের ভেঙে পড়া জীবন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এসব ঘটনা ঠেকাতে বা প্রতিরোধে বাংলাদেশে কোনো আইনি ব্যবস্থা রয়েছে কি?

মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, বাংলাদেশে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন নেই। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী ফওজিয়া করিম গণমাধ্যমে বলেন, "যৌন হয়রানি বা এ সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন নেই। তবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে উচ্চ আদালতের নির্দেশে একটি নীতিমালা আছে, কিন্তু সেটি আইনে পরিণত হয়নি।" এটি সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়।

বাংলাদেশে এখনও যৌন হয়রানি ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কার্যকর ও পূর্ণাঙ্গ পৃথক আইন নেই। উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় নীতিমালা আছে, কিন্তু তা পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হয়নি। ফলে বিচারহীনতার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, কয়েক দিন আলোচনা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উত্তপ্ত থাকে, তারপর আরেকটি নতুন ঘটনা আগের ঘটনাকে সরিয়ে দেয়। শিশুরা থেকে যায় একই অনিরাপত্তায়।

শুধু ধর্ষণ-নির্যাতন নয়, শিশুদের বেঁচে থাকার অধিকার নিয়েও বাংলাদেশ এখন গভীর সংকটে। ২০২৬ সালে হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যায় বাংলাদেশ বিশ্বে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদান। এই তথ্য শুধু উদ্বেগজনক নয়, রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাজনকও।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদসূত্র বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত সন্দেহভাজন হাম রোগী ৬২৫০৭, হাম শনাক্ত রোগী ৮৪৯৪, এবং হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ৫১২ শিশু। এদের বড় অংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী। এই মৃত্যুকে নিছক দুর্ভাগ্য বলে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ইউনিসেফ জানিয়েছে, ২০২৪ সাল থেকেই তারা সরকারকে টিকা সংকট নিয়ে বারবার সতর্ক করেছিল। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তত পাঁচটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সময়মতো টিকা সংগ্রহ করা হয়নি। প্রশাসনিক জটিলতা, ক্রয় প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং সিদ্ধান্তহীনতার কারণে লাখ লাখ শিশু টিকার বাইরে থেকে যায়।

ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেছেন, "কোনো মহামারি রাতারাতি ঘটে না।" এই একটি বাক্যই আসলে পুরো পরিস্থিতিকে ব্যাখ্যা করে। অর্থাৎ বিপর্যয়ের পূর্বাভাস ছিল। সতর্কবার্তাও ছিল। কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা ছিল না।

বিশেষ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় টিকা ক্রয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তগত জটিলতা পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তোলে- এমন ইঙ্গিত ইউনিসেফের বক্তব্যেই স্পষ্ট। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, যে অব্যবস্থাপনা ও গাফিলতির কারণে অর্ধসহস্রাধিক শিশুর মৃত্যু হলো, তার দায় কে নেবে? মানুষের মধ্যে ক্ষোভ আছে।

অনেকেই বলছেন, এই মৃত্যুগুলো শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়; রাষ্ট্রীয় অবহেলার ফল। সরকার কি এই ঘটনায় কোনো স্বাধীন তদন্ত করবে? সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে? নাকি এতগুলো শিশুর মৃত্যুও শেষ পর্যন্ত কেবল একটি পরিসংখ্যান হয়ে থাকবে?

বাংলাদেশে শিশুদের বঞ্চনা বহুস্তরীয়। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রতি তিন শিশুর মধ্যে দুই শিশু সুষম খাদ্য পায় না। প্রায় এক কোটি শিশু ন্যূনতম পুষ্টি থেকে বঞ্চিত। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের গবেষণা বলছে, দেশে পাঁচ বছরের কম বয়সী ৩৬ শতাংশ শিশু খর্বকায়, ১৪ শতাংশ শীর্ণকায় এবং ৪১ শতাংশ পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। কম ওজন নিয়ে জন্ম নিচ্ছে ৩৩ শতাংশ শিশু। হাওরাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও খারাপ। সেখানে খর্বকায় শিশুর হার ৪৬ দশমিক ৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ২০২১ সালে এক বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার ছিল হাজারে ২২, যা ২০২২ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫-এ। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার বেড়ে হয়েছে ৩১। উন্নয়নের নানা সূচক নিয়ে যত কথাই বলা হোক, শিশুদের জীবন যদি নিরাপদ না হয়, তাহলে সেই উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

বাংলাদেশে শিশুশ্রমে এখনও ভয়াবহ বাস্তবতা। ২০২২ সালে প্রায় ১০ লাখ ৭০ হাজার শিশু ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে যুক্ত ছিল। টোকাই, ভিক্ষাবৃত্তি, পরিবহন শ্রম, নির্মাণকাজ- সবখানেই শিশুদের দেখা যায়। অথচ শিশু অধিকার কনভেনশন স্পষ্টভাবে বলেছে, শিশুর শিক্ষা ও বিকাশের ক্ষতিকর শ্রম বন্ধ করতে হবে।

দেশে প্রায় ৩৪ লাখ পথশিশু রয়েছে। প্রতি ১০ জন পথশিশুর মধ্যে ৯ জন কোনো না কোনো শ্রমে জড়িত। ২০ দশমিক ৯ শতাংশ ময়লা কুড়িয়ে বাঁচে, ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ ভিক্ষাবৃত্তিতে যুক্ত। মেয়েশিশুদের একটি অংশ যৌন শোষণের শিকার হয়। সবচেয়ে কষ্টের তথ্য হলো, ৬৪ শতাংশ পথশিশু আর ঘরে ফিরতে চায় না। কারণ তাদের কাছে ঘরও নিরাপদ জায়গা নয়।

বাল্যবিবাহের হারেও বাংলাদেশ এখনও বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি। ২২ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের ৫১ শতাংশের বিয়ে ১৮ বছরের আগেই হয়ে যায়। ফলে লাখো মেয়েশিশু শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ে, অল্প বয়সে মাতৃত্বের ঝুঁকিতে পড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য জটিলতার শিকার হয়।

জন্মনিবন্ধনের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক নয়। দেশে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মাত্র ৫৬ শতাংশ জন্মের সময় নিবন্ধিত হয়। ২০২৪ সালে ৮৩ লাখের বেশি জন্মনিবন্ধন হলেও মাত্র ৯ শতাংশ শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। অথচ জন্মনিবন্ধন না থাকলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক অধিকার পাওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।

সরকার শিশু আইন ২০১৩, জাতীয় শিশু সুরক্ষা নীতি ২০১১ এবং শিশু আদালতের মতো নানা উদ্যোগের কথা বলে। কিন্তু বাস্তবে আইনের চেয়ে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে অবহেলা, বিচারহীনতা ও প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা। দেশে ১০২টি শিশু আদালত থাকলেও ২৩ হাজারের বেশি মামলা এখনও নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।

সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, আমরা ধীরে ধীরে শিশুদের কষ্টের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছি। ধর্ষিত শিশু, অপুষ্ট শিশু, মৃত শিশু, পথশিশু- এসব যেন এখন প্রতিদিনের স্বাভাবিক সংবাদ। কয়েক দিন শোরগোল হয়, তারপর সব আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়। কিন্তু যেসব পরিবার সন্তান হারায়, তাদের জীবনে আর কিছুই স্বাভাবিক থাকে না।

একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত সক্ষমতার পরিচয় তার মহাসড়ক, নদীতে ব্যারেজ জাতীয় মেগাপ্রকল্প বা বোয়িং বিমান, আধুনিক সমরাস্ত্র সজ্জিত বাহিনী কিংবা প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যানে নয়; বরং সে তার শিশুদের কতটা নিরাপদ রাখতে পারে, তার ওপর নির্ভর করে। যে দেশে শিশুরা টিকার অভাবে মারা যায়, ধর্ষণের শিকার হয়, অপুষ্টিতে ভোগে, শ্রমে নিযুক্ত হয় এবং রাস্তায় বড় হয়- সেই রাষ্ট্র উন্নয়নের পূর্ণ দাবিদার হতে পারে না।

জাতিসংঘের শিশু অধিকার কনভেনশন শুধু একটি আন্তর্জাতিক দলিল নয়; এটি রাষ্ট্রের বিবেকের পরীক্ষা। বাংলাদেশ সেই পরীক্ষায় এখনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এখন প্রয়োজন শুধু নতুন আইন বা নতুন প্রতিশ্রুতি নয়, রাষ্ট্রের political সদিচ্ছা (রাজনৈতিক সদিচ্ছা), জবাবদিহি এবং শিশুদের মানুষ হিসেবে দেখার মানসিকতা। কারণ শিশুদের মৃত্যু, নির্যাতন ও বঞ্চনার দায় শুধু পরিবার বা সমাজের নয়- রাষ্ট্রও তার দায় এড়াতে পারে না।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

নন-ক্যাডার থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব হলেন যে ২০ কর্মকর্তা

নন-ক্যাডার থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব হলেন যে ২০ কর্মকর্তা

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ২ বাংলা‌দে‌শির প‌রিচয় প্রকাশ

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ২ বাংলা‌দে‌শির প‌রিচয় প্রকাশ

‘জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে’

প্রধানমন্ত্রীর সতর্কবার্তা ‘জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে’

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App