সমাবেশ শেষে বরিশাল ত্যাগ করলেন তারেক রহমান
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম
ছবি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বরিশাল বিভাগীয় ঐতিহাসিক সমাবেশ শেষে ফরিদপুরের উদ্দেশে বরিশাল ত্যাগ করেছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টা ৭ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে বরিশাল ত্যাগ করেন তিনি।
এর আগে, সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে বরিশাল স্টেডিয়ামের আউটার মাঠে অবতরণ করেন তারেক রহমান। ২০০৬ সালের পর এটি ছিল তার প্রথম বরিশাল সফর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে প্রায় দু’দশক পর বরিশালে পৌঁছান তিনি। তার এই আগমনকে ঘিরে পুরো নগরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। সকাল হেলিকপ্টারযোগে অবতরণের পর তাকে স্বাগত জানান বরিশাল বিভাগ ও জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা। পরে তিনি সড়কপথে সমাবেশস্থলে গিয়ে হাত নেড়ে লাখো মানুষের অভিবাদন গ্রহণ করেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতাদের দাবি, এই সমাবেশে কয়েক লাখ মানুষের উপস্থিতিতে এটি দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ জনসমাগমে পরিণত হয়।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানায়, ‘প্রায় ২০ বছর পর দলীয় চেয়ারম্যানকে সরাসরি দেখতে পেয়ে তারা উদ্বেলিত। তাদের ভাষায়— ‘এটি শুধু একটি জনসভা নয়; দীর্ঘ অপেক্ষার পর দক্ষিণাঞ্চলের বিএনপি নেতাকর্মীদের মনোবল ও রাজনৈতিক উদ্দীপনার প্রতীক।’
এর আগে, ২০০৬ সালে বরিশাল সফরের সময় তিনি দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব ছিলেন। বর্তমানে তাকে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে আগমনকে তারা দল পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন। তারেক রহমান এই সফরকে কেন্দ্র করে স্টেডিয়াম ও সমাবেশস্থলের চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এ সময় পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। প্রশাসন জানায়, ‘সম্ভাব্য বৃহৎ জনসমাগম বিবেচনায় সব প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।’
দলীয় সূত্রে হতে জানা যায়, বরিশালসহ পুরো দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকেবিপুল পরিমাণে নেতাকর্মীকে সমাবেশে আনার জন্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা একযোগে প্রস্তুতি নেয়। তার এই সমাবেশটিকে দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় নির্বাচনী শক্তি-প্রদর্শনে রূপ দিতে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
তাদের আশা, ‘তারেক রহমানের এ সফর দক্ষিণাঞ্চলে বিএনপির তৃণমূল সংগঠনকে নতুন করে সক্রিয় করবে এবং নির্বাচনী প্রচারণায় নতুন গতির সূচনা করবে।’
