মেঘনা
সংবাদ প্রকাশের পর বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ল আরও ৩ মেগাওয়াট
মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:৫০ পিএম
ফাইল ছবি
ভোরের কাগজে সংবাদ প্রকাশের পর তীব্র গরমের মধ্যে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়া ও স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসে। এর প্রায় দেড় ঘণ্টার মধ্যেই কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনের সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের উদ্যোগে মেঘনা উপকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ ৬ মেগাওয়াট থেকে বাড়িয়ে ৯ মেগাওয়াট করা হয়েছে বলে বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা যায়।
তাদের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে মেঘনা উপকেন্দ্রে ১২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছিল ৬ মেগাওয়াট, ফলে ঘাটতি ছিল ৫০ শতাংশ। সরবরাহ ঘাটতির কারণে উপকেন্দ্রের ছয়টি ফিডারের মধ্যে একসঙ্গে তিনটি ফিডার চালু রাখা সম্ভব হচ্ছিল এবং বাকি ফিডারগুলো লোডশেডিংয়ের আওতায় থাকায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকা, ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত হওয়া ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সমস্যাসহ ভোগান্তির অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
এছাড়াও স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, বিদ্যুৎ অফিসের দেওয়া ৫০ শতাংশ লোডশেডিংয়ের হিসাবের সঙ্গে বাস্তব চিত্রের মিল নেই। তাঁদের দাবি, প্রতি ঘণ্টায় বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং বিদ্যুৎ এলেও তা দুই ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হচ্ছে না। এতে ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৮ ঘণ্টার মতো বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
এর আগে মেঘনা সাবজোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান শাহেদ জানিয়েছিলেন, জাতীয় গ্রিড থেকে বর্তমানে মেঘনা উপকেন্দ্রের জন্য চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। পল্লী বিদ্যুৎ স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে না; গ্রিড থেকে পাওয়া বিদ্যুৎই ছয়টি ফিডারের মাধ্যমে সমহারে বিতরণ করা হয়। সরবরাহ ঘাটতির কারণেই লোডশেডিং হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছিলেন।
