চসিক মেয়র
নগরের ৮০ শতাংশ এলাকা থেকে পানি নেমে গেছে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
টানা ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার পর চট্টগ্রাম নগরের প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা থেকে পানি নেমে গেছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, নগরের কিছু নিচু এলাকায় এখনও পানি জমে থাকলেও দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি পরিদর্শন এবং পানিবন্দি মানুষের খোঁজখবর নিতে নগরের চান্দগাঁও থানার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ।
তারা হাজীরপোল, চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা, বালুরটাল, অনন্যা আবাসিক এলাকা ও শমসেরপাড়াসহ বিভিন্ন জলাবদ্ধ এলাকা ঘুরে দেখেন। পরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
পরিদর্শনের সময় মেয়র ও সংসদ সদস্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে কোথায় পানি আটকে আছে, পানি নিষ্কাশনে কী ধরনের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে এবং দ্রুত সমাধানে কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন এসব বিষয়ে মতামত নেন।
পরিদর্শন শেষে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরের অধিকাংশ এলাকা থেকে পানি নেমে গেলেও কিছু নিচু এলাকায় এখনও জলাবদ্ধতা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে এসব এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করা হচ্ছে। প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের পর দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অল্প সময়ের মধ্যেই অবশিষ্ট এলাকাগুলো থেকেও পানি সম্পূর্ণ সরে যাবে।
মেয়র আরও বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে। কোথাও পানি নিষ্কাশনে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকলে তা দ্রুত অপসারণের মাধ্যমে নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ বলেন, যেসব নিচু এলাকায় এখনও পানি জমে আছে, সেখান থেকেও দ্রুত পানি সরে যাবে। এ লক্ষ্যে চসিক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে এবং তাদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
পরিদর্শনকালে মেয়র ও সংসদ সদস্য স্থানীয়দের বিভিন্ন অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে স্থানীয় জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তারা।
