১০ হাজার অস্ত্র উদ্ধারে ডিসিদের কঠোর নির্দেশ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ছবি : সংগৃহীত
বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সধারী আগ্নেয়াস্ত্র এখনও জমা পড়েনি। এসব অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর লাইসেন্স করা অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা পার হলেও বিপুলসংখ্যক অস্ত্র এখনও মাঠ পর্যায়ে রয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধার করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজন হলে মামলা দায়েরের জন্য মাঠ প্রশাসনকে তৎপর হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক বিবেচনায় বা নীতিমালা উপেক্ষা করে যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাতিলের প্রক্রিয়া চলছে। জেলা পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই শেষে ত্রুটিপূর্ণ লাইসেন্সধারী অস্ত্রগুলো বাজেয়াপ্ত করা হবে। তবে ২০০৯ সালের আগে ইস্যু করা বৈধ লাইসেন্সধারীরা নিয়ম অনুযায়ী তাদের অস্ত্র ফেরত পাবেন।
আরো পড়ুন : হাম ও উপসর্গে আরো ৭ জনের মৃত্যু
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনমনে স্বস্তি ফেরাতে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধকে বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি মাদক, চাঁদাবাজি ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধেও জেলা প্রশাসকদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সমাজে ভারসাম্য রক্ষা করতে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ও মাদকের বিস্তার রোধ করা জরুরি। বিশেষ করে অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থ পাচার ও সামাজিক অবক্ষয় ঠেকাতে নতুন আইন প্রণয়নের কাজ চলছে।
মাঠ পর্যায়ে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো শিথিলতা সহ্য করা হবে না। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান মন্ত্রী।
