নবম পে-স্কেল: কার কত বেতন বাড়ছে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
নবম পে-স্কেল কার্যকরের দিকে এগোচ্ছে সরকার। প্রস্তাবিত কাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনার পাশাপাশি ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মীদের বেসিক দ্বিগুণ করার বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। এই সুবিধার আওতায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও আসতে পারেন বলে সংশ্লিষ্টদের আশা।
পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, বর্তমানে চতুর্থ গ্রেডভুক্ত এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষদের মূল বেতন ৫০ হাজার টাকা। প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে তাদের বেতন বেড়ে দাঁড়াবে ৭৫ হাজার টাকায়।
ষষ্ঠ গ্রেডের সহকারী অধ্যাপকদের বর্তমান ৩৫ হাজার ৫০০ টাকার বেসিক বেড়ে হবে ৫৩ হাজার ২৫০ টাকা। সপ্তম গ্রেডের উপাধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের ২৯ হাজার টাকার বেতন বেড়ে দাঁড়াবে ৪৩ হাজার ৫০০ টাকা।
নবম গ্রেডের কলেজ প্রভাষকদের ২২ হাজার টাকার বেসিক বেড়ে হতে পারে ৩৩ হাজার টাকা। দশম গ্রেডের বিএডধারী সহকারী শিক্ষকদের ১৬ হাজার টাকার মূল বেতন বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াতে পারে ২৪ হাজার টাকায়।
অন্যদিকে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে দুটি সম্ভাব্য হিসাব আলোচনায় রয়েছে—৫০ শতাংশ বৃদ্ধি অথবা শতভাগ অর্থাৎ বেসিক দ্বিগুণ করা।
১১তম গ্রেডের বিএডবিহীন সহকারী শিক্ষকদের বর্তমান বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা। ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি হলে তা হবে ১৮ হাজার ৭৫০ টাকা, আর দ্বিগুণ হলে ২৫ হাজার টাকা।
আরো পড়ুন : আইএমএফের সঙ্গে ৬০০ কোটি ডলার ঋণের নতুন পরিকল্পনা
১৬তম গ্রেডের অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী এবং কম্পিউটার অপারেটরদের বেসিক ৯ হাজার ৩০০ টাকা। ৫০ শতাংশ বাড়লে তা হবে ১৩ হাজার ৯৫০ টাকা, আর দ্বিগুণ হলে ১৮ হাজার ৬০০ টাকা।
১৮তম গ্রেডের ল্যাব সহকারীদের বেতন ৮ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধিতে ১৩ হাজার ২০০ টাকা এবং দ্বিগুণ হলে ১৭ হাজার ৬০০ টাকায় দাঁড়াবে।
২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক, নিরাপত্তাকর্মী, নৈশপ্রহরী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়ারা বর্তমানে ৮ হাজার ২৫০ টাকা পান। ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেলে তা হবে ১২ হাজার ৩৭৫ টাকা, আর দ্বিগুণ হলে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা।
এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের মহাসচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিদ্যমান বেতনে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই আসন্ন বাজেটে সরকার বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে বলে তারা আশা করছেন। একই সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও এ সুবিধার আওতায় আসবেন বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
