জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
সরকার দল মতের ঊর্ধ্বে সারাদেশে সমানভাবে কাজ করছে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সমানভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, উন্নয়নের ক্ষেত্রে কে ভোট দিয়েছে আর কে ভোট দেয়নি- বর্তমান সরকার সেটা বিবেচনা করছে না।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া হতে রাজগঞ্জ জিসি সড়কের চার কিলোমিটার সংস্কার ও প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধনের পর এলাকাবাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নে বিএনপি তুলনামূলক কম ভোট পেয়েছে। তা সত্ত্বেও বর্তমান সরকারের জনকল্যাণমুখী নীতির কারণে এই চাঁচড়া ইউনিয়নেই প্রথম চার কোটি টাকা ব্যয়ে চার কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। শুধু তাই নয়, যশোরের এই চাঁচড়া ইউনিয়নেই প্রথম ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে।
৫০০ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কথা উল্লেখ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে উপস্থিত হয়ে যশোরে যে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্বোধন করেছেন, তাও এই চাঁচড়া ইউনিয়নেই অবস্থিত।
সরকার দল মতের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের মৌলিক অধিকার ও এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
আরো পড়ুন: সারজিস-পাটোয়ারীসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ
সংস্কার কাজের উদ্বোধনের পর প্রতিমন্ত্রী এলাকাবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদক নির্মূলে সহায়তা করুন। অবকাঠামোগত উন্নয়নের দায়িত্ব আমার কাঁধে দিয়েছেন, আমি সেটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো’।
চার কিলোমিটার রাস্তা মেরামত ও প্রশস্তকরণের কাজে ঠিকাদারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঠিকঠাকমতো কাজ হচ্ছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখার দায়িত্বও আপনাদের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক যশোর পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসান, চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিমসহ জেলা বিএনপির ও সহযোগী সংগঠনগুলো বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী, স্থানীয় বাসিন্দারা।
