চ্যাম্পিয়নস ট্রফি নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ নভেম্বর ২০২৪, ০৪:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে ক্রিকেট দলকে পাকিস্তানে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। তবে ভারত ও পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে সংযোগ তৈরি করতে প্রতিবেশি দেশ দুটিকে ‘ক্রীড়া কূটনীতি’র বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
পাকিস্তানে ২০২৫ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি হওয়ার কথা। তবে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড-বিসিসিআই, আইসিসিকে জানিয়েছে, ভারত সরকার পাকিস্তানে দল পাঠাতে মানা করেছে। দেশটির সরকারের এ সিদ্ধান্ত জানার পর চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সূচি প্রকাশও স্থগিত করা হয়। প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, ১৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার কথা ৮ দলের এই টুর্নামেন্টের।
গত সপ্তাহে ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের পরপরই পাকিস্তানে এ নিয়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ২০১৬ ও ২০২৩ সালে দুই দফায় পাকিস্তান দল ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে গেলেও সর্বশেষ ১৫ বছরে পাকিস্তানে পাড়ি জমায়নি ম্যান ইন ব্লুরা। সবশেষ এশিয়া কাপে ভারতের আপত্তির কারণেই সব ম্যাচ আয়োজন করতে পারেনি পাকিস্তান। এবার চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও দেশটি একই রাজনীতি করছে, এমনটা মতামত পাকিস্তানের।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক বলেন, ২০০৮ সালের পর ভারত রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে পাকিস্তানে দল পাঠায় না। সামনে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, যেটা বিশ্বকাপের পর ক্রিকেটের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতা। ভারত এই টুর্নামেন্ট খেলতে পাকিস্তানে দল পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘রাজনীতির সঙ্গে খেলাধুলা মেশানো কি ঠিক হচ্ছে, আপনারা কী মনে করেন?’
জবাবে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, ‘খেলাধুলা অবশ্যই একটি শক্তিশালী এবং সংযোগকারী শক্তি। এই দপ্তর সত্যিকার অর্থে ক্রীড়া কূটনীতির ভূমিকাকে অগ্রাধিকার দেয়, যা মানুষকে সংযুক্ত করতে পারে। এটি এমন কিছু যা, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের জন্য অবিশ্বাস্য রকমের গুরুত্বপূর্ণ।’
প্যাটেল আরো বলেন, ‘এ বিষয়ে ভারত–পাকিস্তানই নিজেদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মধ্যে কথা বলুক। আমরা এর মাঝে প্রবেশ না করি।’
এদিকে ভারত পাকিস্তানে ক্রিকেট দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তের জেরে এখন অচলাবস্থায় চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। আইসিসির কাছে ভারতের সিদ্ধান্তের বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে ভারতের অবস্থান নিয়ে নতুন কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
