মমতার দলীয়কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, তৃণমূলের বহু কার্যালয়ে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম
ছবি- সংগৃহীত
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর রাজ্যজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (৪ মে) থেকে শুরু হওয়া এই তাণ্ডবে বীরভূমের নানুরে আবির শেখ নামে এক তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। এছাড়া রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূলের একাধিক দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর, দখল এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
বীরভূমের নিহতের পরিবার জানায়, আবির শেখকে রাস্তায় একা পেয়ে বিজেপিকর্মীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করে। অন্যদিকে, মঙ্গলবার সকালে বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের চম্পাহাটি পঞ্চায়েত অফিস দখল করে বিজেপির পতাকা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সীতাকুণ্ড মোড়ে তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুর করে সেখানেও দলীয় পতাকা টাঙিয়ে দেয় আক্রমণকারীরা। একই চিত্র দেখা গেছে শিলিগুড়িতেও; সেখানে মেয়র গৌতম দেবের কার্যালয়ে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে বিজেপি সমর্থকরা।
কৃষ্ণনগরের বাদকুল্লা মোড় এলাকায় ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে থাকা তৃণমূল কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এছাড়া বাঁকুড়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়েও রাতভর বাড়ি ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভাঙড়ে তৃণমূলের ওপর হামলার জন্য ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) নেতা-কর্মীদের দায়ী করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।
বিজেপি সমর্থিত হামলাকারীদের তাণ্ডবে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী মানস ভৌমিক বলেন,'যাদের এখনও সরকার গঠন হয়নি, তাদের এই পরিস্থিতি। বিজেপিআশ্রিত গুন্ডাবাহিনী আমাদের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়েছে।'
