ঢাবি শিক্ষার্থী মিমোর ‘আত্মহত্যা’, শিক্ষক সুদীপকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
মুনিরা মাহজাবিন মিমো। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) এ আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন। এ বিষয়ে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে শুনানি হবে।
এর আগে, রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে মুনিরার বাবা আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে সুদীপ চক্রবর্তীকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এসআই ইকবাল হোসেন জানান, আসামি সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়েছে। প্রয়োজনে পরবর্তী সময় রিমান্ড আবেদন করা হবে।
কারাগারে আটক রাখার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তর বাড্ডার এলাকায় অভিযান পচিালনা করে রোববার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে সুদীপকে আটক করা হয়। পরে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে আসামির বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার ‘তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে’। ন্যায় বিচারের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখা দরকার। তদন্তের স্বার্থে ভবিষ্যতে তার রিমান্ডের প্রয়োজন হতে পারে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন মুনিরা মাহজাবিন মিমো। পরিবারের সঙ্গে বাড্ডার বাসায় থাকতেন তিনি। রোববার সকালে নিজের ঘর থেকে ওই শিক্ষার্থীকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তার কক্ষ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে।
চিরকুটে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া...।’
