ভোরের কাগজ গোলটেবিল বৈঠক
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক দৃঢ় করতে নিরাপত্তা ইস্যুতে উন্নতি করতে হবে : গৌতম লাহিড়ী
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০২:২৯ পিএম
ভোরের কাগজ আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠক।
প্রেসক্লাব অব ইন্ডিয়ার সভাপতি গৌতম লাহিড়ী নিরাপত্তা ইস্যু টেনে বলেছেন, প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের জন্য ভারত ৫০০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছিল বাংলাদেশকে। কিন্তু বাংলাদেশ তা খরচ করেনি। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় করতে গেলে প্রতিরক্ষা খাতে নিরাপত্তা ইস্যুতে উন্নতি করতে হবে।
শুক্রবার (১৪ জুন) সকালে ঢাকায় ভোরের কাগজের কনফারেন্স রুমে গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে কলকাতা থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
গৌতম লাহিড়ী বলেন, ২০২৪ সাল ভারত ও বাংলাদেশ জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুটি দেশেই নির্বাচন হয়েছে। নিজ নিজ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার রূপরেখাও তৈরি করেছে দুই দেশের সরকার। ভারতে থেকে বলা হয় ‘বিকশিত ভারত’। আর বাংলাদেশ থেকে বলা হয় ‘উন্নত বাংলাদেশ’।
তিস্তার পানি চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উন্নয়নের আগে দ্বিপক্ষীয় কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে। এই সীমাবদ্ধার মধ্যেই তিস্তার পানি চুক্তি সমাধান হবে। কারণ বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সরকারই ইতিবাচক।
আরো পড়ুন : ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ৩৬০ ডিগ্রিতে রূপান্তরিত হয়েছে
ভারত-বাংলাদেশের আর্থিক সমস্যার কথা টেনে এনে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যেই আর্থিক সমন্বয় দরকার। দুই দেশের মধ্যে ‘সেপা’ সংক্রান্ত আলোচনা শুরু হয়েছে। এই চুক্তি রূপায়িত হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়বে।
‘বাংলাদেশ ভারতের নতুন সরকার : সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন দিগন্তের নতুন সূচনা’ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠক সঞ্চালনা করেন ভোরের কাগজ সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য শাহরিয়ার আলম।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শমসের মবিন চৌধুরী, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক মুন্সি ফয়েজ আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক সাহাব আনাম খান, ভারত থেকে অনলাইনে যুক্ত হন টেলিগ্রাফের হেড অব পলিটিক্যাল এফেয়ার্স দেবদীপ পুরোহিত, ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্ট অব বাংলাদেশ (ডিক্যাব) সভাপতি নুরুল ইসলাম হাসিব এবং ঢাকা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার শেখ শাহরিয়ার জামান প্রমুখ।
