×

জাতীয়

টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের শঙ্কা

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৪, ০৯:০১ পিএম

টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের শঙ্কা

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। লঘুচাপের প্রভাবে দেশের ৮ বিভাগেই শনিবার থেকে মাঝারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হচ্ছে।

শুক্রবার (২৮ জুন) থেকে রাঙামাটিতে থেমে থেমে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। চট্টগ্রামসহ দেশের বেশকিছু বিভাগে সর্বাধিক বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে।

এছাড়া ভারি বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসের শঙ্কা থাকায় রবিবার (৩০ জুন) সকাল থেকে শহরে এবং উপজেলা পর্যায়ে মাইকিং করে সতর্কবার্তা প্রচারের মাধ্যমে ঝুঁকিতে বসবাস করা লোকজনকে নিরাপদে বা আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যেতে নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। রাঙামাটি সদরে ৫ হাজার পরিবার পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাস করছেন জানিয়েছ জেলা প্রশাসন জানায়, অব্যাহত বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যে কোনো সময় বজ্রসহ ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে পাহাড় ধসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে। তাই সতর্কবার্তা জারি করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী লোকজনকে নিরাপদে বা আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যেতে বলা হচ্ছে।

এদিকে রাঙামাটিতে শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত, রাতেই ৬০ কি.মি বেগে ২০ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা

জেলা প্রশাসন ও রাঙামাটি পৌরসভার তথ্যমতে, শহরের আনাচে-কানাচে প্রায় ৫ হাজার পরিবারের মানুষ পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে বসবাস করছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আরো বহু পরিবারের মানুষ পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাস করছে। অনেক মানুষ পাহাড়ের ঢালে ও পাদদেশে বসবাস করছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এসব পরিবারের লোকজনকে নিরাপদে সরে যেতে সতর্কবার্তা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা শহরসহ প্রতিটি উপজেলা সদরে আশ্রয়কেন্দ্র খুলে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। 

জেলা প্রশাসক মো. মোশারফ হোসেন খান জানান, সদরসহ জেলায় সম্ভাব্য পাহাড়ধসের পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ নেয়া আছে। জেলা প্রশাসন, পৌরসভা, ফায়ার সার্ভিস, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ বিভিন্ন কর্তৃপক্ষকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। যারা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করছেন তাদের নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে। শহর এলাকায় ৩১টি পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান শনাক্ত করা হয়েছে। শহরে আশ্রয়কেন্দ্র খুলে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এছাড়া কাপ্তাই, নানিয়ারচর ও কাউখালীসহ বিভিন্ন উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজনের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের বলে দেয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের ১৩ জুন রাঙামাটিতে পাহাড়ধসে ৫ সেনা সদস্য, নারী-শিশুসহ ১২০ জনের প্রাণহানি ঘটে। ভবিষ্যতে যাতে আর এ ধরনের বিপর্যয় না ঘটে সবাইকে সেদিকে সতর্ক নজর রাখতে হবে। কী পরিমাণ মানুষ পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে তার তালিকা তৈরির জন্য প্রতিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

দুই মামলায় দীপু মনির জামিন নামঞ্জুর

দুই মামলায় দীপু মনির জামিন নামঞ্জুর

২ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান

২ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান

পুলিশের ওপর হামলা করলে আত্মরক্ষার্থে বল প্রয়োগ করা হবে

ডিএমপি কমিশনার পুলিশের ওপর হামলা করলে আত্মরক্ষার্থে বল প্রয়োগ করা হবে

প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App