প্রথম ধাপের তালিকা প্রকাশ
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহতের সংখ্যা কত, জানা গেলো
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৪:৫১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের প্রথম ধাপের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) গণ-অভ্যুত্থান সংক্রান্ত বিশেষ সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
গণমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় জানানো হয়, প্রথম ধাপের তালিকায় ৮৫৮ জন শহীদ এবং ১১ হাজার ৫৫১ জন আহতের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। সেলের পক্ষ থেকে তালিকায় সংযোজন বা বিয়োজন করার মতো যুক্তিসংগত কোনো তথ্য থাকলে আগামী ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে গণ-অভ্যুত্থান সংক্রান্ত বিশেষ সেলের ই-মেইল [email protected] -এ জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
এর আগে ২৪ সেপ্টেম্বর জুলাই-আগস্টে সংঘটিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও জেলা পর্যায় থেকে সংগৃহীত শহীদদের নামের খসড়া তালিকা প্রকাশ করে সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। তালিকায় মোট ৭০৮ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। এই তালিকা হালনাগাদের কাজ চলমান রয়েছে বলে এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই-আগস্ট ২০২৪ -এ সংঘটিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও জেলা পর্যায় থেকে সংগৃহীত ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের নামের খসড়া তালিকা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ওয়েবসাইটে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
সংযোজনের কাজ চলমান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তথ্য সংশোধন বা সংযোজন করার জন্য ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকাটি ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তালিকায় প্রকাশিত নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি যাচাই, সংশোধন ও পূর্ণাঙ্গ করতে শহীদ পরিবারের সদস্য, ওয়ারিশ বা প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হয়েছে।
একইসঙ্গে প্রকাশিত তালিকার বিষয়ে কারো কোনো মতামত, পরামর্শ এবং নতুন কোনো তথ্য-উপাত্ত সংযোজন করার মতো থাকলে তা সেবা গ্রহণকৃত সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল অথবা নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এছাড়াও সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে যদি কারো নাম এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হয়ে থাকে তাহলে শহীদ পরিবারের সদস্য, ওয়ারিশ বা প্রতিনিধিরা উপযুক্ত প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
