বিরোধীদলের মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে সংসদে আলোচনা ৩১ মার্চ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার আনা মুলতবি প্রস্তাবের ওপর আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টার আলোচনার সময় নির্ধারণ করেছেন ডেপুটি স্পিকার। তবে এ সময় নোটিশ সংশোধনের ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ডেপুটি স্পিকারের কিছুটা তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে নিজের সিদ্ধান্তে অটল থেকে রুলিং দিয়ে পরবর্তী কার্যক্রমে চলে যান স্পিকার।
রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়।
এদিন স্পিকারের অনুপস্থিতিতে অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার।
অধিবেশনের শুরুতে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জানান, আগে সংসদ মুলতবি করে তাদের প্রস্তাবিত বিষয়ে আলোচনায় যাওয়ার জন্য। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য শোনেন ডেপুটি স্পিকার।
পরে তিনি রুলিং দিয়ে বলেন, ‘সবার বক্তব্য শুনে সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি ৬৫-এর ২ অনুযায়ী আমাদের তিন দিনের মধ্যে এই বিষয়টাকে নিষ্পত্তি করতে হবে।
সেই হিসেবে ৩১ মার্চ দিনের সর্বশেষ বিষয় হিসেবে দুই ঘণ্টাকাল বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাবটি আলোচনার জন্য সময় নির্ধারণ করছি।’
তবে স্পিকারের এ রুলিংয়ের পর ফ্লোর নিয়ে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি মঙ্গলবারের আলোচনার সঙ্গে সম্মতি প্রকাশ করছি। উনারা হয়তো মনে করছেন আমি বিরোধিতা করব।
তবে আলোচনা যদি নির্ধারণ করতে চান, তাহলে আপনাকে নোটিশটা একটু সংশোধন করে নিতে হবে। এটাই আমার বক্তব্য।’
এ সময় ডেপুটি স্পিকার তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, ‘যদি সম্মতিই প্রকাশ করেন, তাহলে তো আর নতুন করে কথা বলার দরকার নেই। আমার সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে (মাই ডিসিশন অলরেডি হ্যাজ বিন প্রোনাউন্সড)। আপনারা দয়া করে নিজ নিজ আসনে বসুন।’
এরপরও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলার চেষ্টা করলে স্পিকার তাকে আবারও থামিয়ে দিয়ে বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মাই ডিসিশন অলরেডি হ্যাজ বিন প্রোনাউন্সড। ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ আলোচনার জন্য দুই ঘণ্টা সময় থাকবে। আমরা পরবর্তী কার্যসূচিতে যাচ্ছি।’
এ পর্যায়ে বিরোধী দলীয় নেতা পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘আপনি রুলিং দেওয়ার পরে এ বিষয়ের ওপরে আর কোনো কথা চলে না।’
পরে ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দলীয় নেতাসহ সবাইকে শান্ত হওয়ার ও আসনে বসার আহ্বান জানান। এরপর রুলিং পাস হয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি সংসদে আসা দ্বিতীয় মুলতবি প্রস্তাবের নোটিশ নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রমে এগিয়ে যান।
