আমেরিকা যেতে চাইলে সোশ্যাল প্রোফাইল উন্মুক্ত থাকা চাই
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার আবেদনকারীদের জন্য অনলাইন উপস্থিতি পর্যালোচনার পরিধি আরও বিস্তৃত করার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। নতুন নির্দেশনায় আবেদনকারীদের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিংস ‘পাবলিক’ (উন্মুক্ত) রাখতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) সব অনভিবাসী ভিসাপ্রার্থীদের উদ্দেশে এই বার্তা দেয় দূতাবাস।
বার্তায় বলা হয়, ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে কয়েকটি ক্যাটাগরির ভিসার জন্য আবেদনকারীদের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিংস উন্মুক্ত করতে হবে। ভিসার ক্যাটাগরিগুলো হলো- এ-৩, সি-৩ (গৃহকর্মী হলে), জি-৫, এইচ-৩ এবং তাদের নির্ভরশীল এইচ-৪, কে-১, কে-২, কে-৩, কিউ, আর-১, আর-২, এস, টি এবং ইউ ভিসা
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের যোগ্যতা ও পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সহজ করতেই এই নির্দেশনা। দূতাবাস জানায়, ভিসা প্রদানের সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়, যাতে কেউ দেশটির আইন, নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থি কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে প্রবেশ করতে না পারে। একইসঙ্গে আবেদনকারীদের বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রমাণ করতে হবে যে তারা ভিসার শর্ত অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, ভিসা স্ক্রিনিংয়ের সময় আবেদনকারীদের সম্পর্কে উপলব্ধ সব ধরনের তথ্য ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে এমন ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়, যারা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বা জননিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য হুমকি হতে পারেন। প্রতিটি ভিসা আবেদনকে জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করেছে দপ্তরটি।
একইসঙ্গে মার্কিন ভিসা কোনো অধিকার নয়, বরং এটি একটি বিশেষ সুযোগ—যা নির্ধারিত যোগ্যতা ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়। এই বক্তব্য আবারও পুনর্ব্যক্ত করেছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, নতুন এই নির্দেশনা বাংলাদেশের ভিসাপ্রার্থীদের জন্য ডিজিটাল গোপনীয়তার প্রশ্নে নতুন মাত্রা যোগ করলেও, যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অভিবাসন নীতি ও নিরাপত্তা চেতনার প্রতিফলন মাত্র।
