মাতৃত্বকালীন মাসিক ভাতা পাবেন যারা, জানুন আবেদন পদ্ধতি
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারের মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে সরকার চালু রেখেছে ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় যোগ্য মায়েদের নিয়মিত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
বর্তমানে এ কর্মসূচির আওতায় একজন মা সন্তান জন্মের পর শিশুর বয়স ৩ বছর বা ৩৬ মাস পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে ৮০০ টাকা করে ভাতা পান।
আরও পড়ুন: অচেনা শহরে হঠাৎ পরিচিত ডাক
ভাতার অর্থ সরাসরি সুবিধাভোগীর ব্যাংক হিসাব অথবা বিকাশ, নগদ, রকেটসহ অনুমোদিত মোবাইল আর্থিক সেবার অ্যাকাউন্টে জিটুপি পদ্ধতিতে পাঠানো হয়।
কারা এই ভাতা পাবেন
মাতৃত্বকালীন ভাতা পেতে আবেদনকারীকে কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে। যেমন-
- আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
- তিনি নিম্নআয়ের গর্ভবতী নারী হতে হবে।
- বয়স কমপক্ষে ২০ বছর হতে হবে।
- প্রথম বা দ্বিতীয় গর্ভধারণের ক্ষেত্রে এ ভাতার জন্য আবেদন করা যাবে।
- সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য ভাতা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
- আবেদনকারী বা তার স্বামীর নামে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমি কিংবা স্থায়ী ও পর্যাপ্ত আয়ের উৎস থাকা যাবে না।
যেভাবে আবেদন করবেন
অনলাইনে: সরকারের সংশ্লিষ্ট সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত অনলাইন সেবার মাধ্যমে আবেদন করা যায়।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে যা জানালো ভারত
স্থানীয় কার্যালয়ে: ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা কিংবা সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে আবেদন করা যাবে।
যেসব কাগজপত্র লাগতে পারে
আবেদনের সময় সাধারণত প্রয়োজন হবে-
- জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) সত্যায়িত কপি
- ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন সনদ
- গর্ভাবস্থার চিকিৎসা সনদ বা স্বাস্থ্য কার্ড
- নিজের নামে নিবন্ধিত সক্রিয় মোবাইল নম্বর অথবা ব্যাংক হিসাবের তথ্য
- পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি
আবেদন যাচাইয়ের পর যা হবে
আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তথ্য যাচাই-বাছাই করবে। যোগ্য আবেদনকারীদের মধ্য থেকে স্থানীয় পর্যায়ের কমিটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করবে।
আরও পড়ুন: নিম্নচাপের প্রভাব, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত
ভাতা অনুমোদন হলে নির্ধারিত মাধ্যমে নিয়মিত অর্থ পাঠানো হবে। টাকা জমা হওয়ার তথ্য সাধারণত সুবিধাভোগীর মোবাইলে খুদে বার্তার মাধ্যমে জানানো হবে।
