×

জাতীয়

রেইনট্রি হোটেলে শিক্ষার্থী ধর্ষণে আসামিদের নির্দোষ দাবি

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২১, ০৪:৫২ পিএম

রেইনট্রি হোটেলে শিক্ষার্থী ধর্ষণে আসামিদের নির্দোষ দাবি

রেইনট্রি হোটেল এবং সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু সাদমান সাকিফ (ইনসেটে)। ফাইল ছবি

রাজধানীর বনানীর ২৭ নম্বর রোডে দ্য রেইন ট্রি হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচ আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন। বাকি চারজন হলেন- সাফাতের বন্ধু নাঈম আশরাফ ওরফে এইচএম হালিম, সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন।

রবিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোসাম্মৎ কামরুন্নাহারের আদালতে আসামিপক্ষ আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি করে।এসময় তারা আদালতে লিখিত বক্তব্য দেবেন বলেও জানান। এরপর আদালত মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামি ৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত আসামিরা মামলার বাদী শিক্ষার্থী ও তার বান্ধবী এবং এক বন্ধুকে আটকে রাখে। অস্ত্র দেখিয়ে ভয় প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে দুই শিক্ষার্থীকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যায় আসামিরা। এরপর মামলার বাদী শিক্ষার্থীকে সাফাত আহমেদ ও তার বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সাদমান সাকিফকে দুই বছর ধরে চেনেন মামলার বাদী। তার মাধ্যমেই ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে দুই শিক্ষার্থীর পরিচয় হয়। ওই দুই শিক্ষার্থী সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যান। সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী তাদের বনানীর ২৭ নম্বর রোডে রেইনট্রি হোটেলে নিয়ে যান। হোটেলে যাওয়ার আগে বাদী ও তার বান্ধবী জানতেন না সেখানে পার্টি হবে। তাদের বলা হয়েছিল এটা একটা বড় অনুষ্ঠান। অনেক লোকজন থাকবে। অনুষ্ঠান হবে হোটেলের ছাদে।

সেখানে যাওয়ার পর তারা কাউকে দেখেননি। সেখানে আরও দুই তরুণী ছিলেন। বাদী ও তার বান্ধবী সাফাত ও নাঈমকে ওই দুই তরুণীকে ছাদ থেকে নিচে নিয়ে যেতে দেখেন। এ সময় বাদীর বন্ধু ও আরেক বান্ধবী ছাদে আসেন। পরিবেশ ভালো না লাগায় তারা চলে যেতে চান। এ সময় অভিযুক্তরা তাদের গাড়ির চাবি শাহরিয়ারের কাছ থেকে নিয়ে নেয় এবং তাকে মারধর করেন। ধর্ষণের সময় গাড়িচালককে ভিডিও করতে বলেন সাফাত। বাদীকে নাঈম আশরাফ মারধর করেন।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৭ সালের ৭ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১৯ জুন একই ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। এর পরের মাসে ১৩ জুলাই ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক শফিউল আজম পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন।

অভিযোগপত্রে আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে। মামলার অন্য তিন আসামি সাফাত আহমেদের বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে ওই একই আইনের ৩০ ধারায় ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে জানা যায়, এ মামলায় মোট ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

মিষ্টির শূন্য আসনে এমপি হচ্ছেন সাবেক ছাত্রদল নেত্রী ঊষা

মিষ্টির শূন্য আসনে এমপি হচ্ছেন সাবেক ছাত্রদল নেত্রী ঊষা

সৌদিগামী ফ্লাইট বাতিলে দুর্ভোগে ২২ হাজার ২৩১ যাত্রী

সৌদিগামী ফ্লাইট বাতিলে দুর্ভোগে ২২ হাজার ২৩১ যাত্রী

বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App