এলপিজির মূল্যবৃদ্ধিতে চাপে ভোক্তার সংসার
নাজমুল হাসান
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫২ পিএম
ছবি : ভোরের কাগজ গ্রাফিক্স
জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে তার প্রভাব অর্থনীতির প্রায় প্রতিটি স্তরে পড়ে। কিন্তু রান্নার গ্যাসের দাম বাড়লে সেই অভিঘাত সরাসরি পৌঁছে যায় মানুষের ঘরের রান্নাঘরে। বাজারে মাছ-মাংস, চাল-ডাল, সবজি কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সামলাতে যখন মানুষকে এমনিতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে, তখন নতুন করে এলপিজির দাম বাড়া শুধু একটি সিলিন্ডারের বাড়তি খরচ নয় -এটি একটি পরিবারের পুরো মাসের ব্যয়ের হিসাবকে বদলে দেয়।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত দাম ছিল ১ হাজার ৩০৬ টাকা। অক্টোবর মাসে সেই দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। অর্থাৎ মাত্র ১০ মাসে দাম বেড়েছে ৫৩১ টাকা বা প্রায় ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ। অথচ এই ১০ মাসে দাম একটানা বাড়েনি। কখনো বেড়েছে, কখনো কমেছে; আবার কয়েক মাসের ব্যবধানে বড় ধরনের উল্লম্ফন ও পতন ঘটেছে।
জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সবচেয়ে কম দাম ছিল ১ হাজার ৩০৬ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৪০ টাকা। অর্থাৎ ব্যবধান ৬৩৪ টাকা। মে মাসে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৪০ টাকা থেকে জুলাইয়ে দাম নেমে আসে ১ হাজার ৫২৮ টাকায় -মাত্র দুই মাসে কমে ৪১২ টাকা। এরপর আবার আগস্ট ও অক্টোবরে দাম বাড়তে বাড়তে ১ হাজার ৮৩৭ টাকায় পৌঁছেছে।
এই ওঠানামা শুধু পরিসংখ্যান নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি পরিবারের রান্নাঘরের বাস্তবতা।
আন্তর্জাতিক বাজারের চাপ আছে, কিন্তু প্রশ্নও আছে
অক্টোবরে দাম বাড়ানোর পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রোপেন-বিউটেনের দাম এবং আমদানি ব্যয় বৃদ্ধিকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে প্রোপেন-বিউটেনের গড় দাম টনপ্রতি ৬৪৭ দশমিক ৭৫ ডলার থেকে বেড়ে ৭১২ দশমিক ৫০ ডলার হয়েছে। একই সময়ে জাহাজ ভাড়া ও প্রিমিয়াম ১৬০ ডলার থেকে বেড়ে ২৫০ ডলারে উঠেছে।
অর্থাৎ এলপিজির দাম বৃদ্ধির পেছনে আন্তর্জাতিক বাজার ও পরিবহন ব্যয়ের বাস্তব চাপ থাকার যুক্তি একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। একটি আমদানিনির্ভর পণ্যের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য, জাহাজ ভাড়া, প্রিমিয়াম, বিনিময় হার ও অন্যান্য আমদানি ব্যয়ের পরিবর্তন স্থানীয় বাজারে প্রভাব ফেলবেই।
কিন্তু এখানেই মূল প্রশ্ন -আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যয় বাড়ার সঙ্গে দেশের খুচরা বাজারে দামের যে ব্যবধান তৈরি হচ্ছে, তার পুরোটা কি যৌক্তিক?
কারণ ভোক্তার অভিজ্ঞতা বলছে, সমস্যা শুধু বিইআরসির ঘোষিত দামে সীমাবদ্ধ নয়। সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা থাকার সময়ও অনেক জায়গায় ১২ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রির অভিযোগ ছিল। অর্থাৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত দাম এবং বাস্তবে ভোক্তার কাছ থেকে নেওয়া দামের মধ্যে বিশাল পার্থক্য তৈরি হয়েছিল।
এখানেই এলপিজি বাজারের সবচেয়ে বড় দুর্বলতাটি স্পষ্ট হয় -দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে এক জায়গায়, কিন্তু সেই দামে পণ্য পাওয়া যাচ্ছে কি না, সেটিই হয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন।
সংকট আগে, দাম বৃদ্ধি পরে -এ প্রশ্নের উত্তর দরকার
অক্টোবরের দাম বাড়ার আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে এলপিজির সংকট তৈরি হয়েছিল। ২২ সেপ্টেম্বরের পর থেকে সরবরাহ সংকটের অভিযোগ ওঠে। কোথাও নির্ধারিত দামের তুলনায় ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা বেশি দিয়েও সিলিন্ডার পাওয়া কঠিন হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে।
এমন পরিস্থিতিতে যদি বাজারে সত্যিই পর্যাপ্ত পণ্য থাকে, তাহলে হঠাৎ সংকট তৈরি হলো কেন?
আবার যদি আন্তর্জাতিক বাজার ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধিই মূল কারণ হয়, তাহলে সেই ব্যয়ের প্রভাব পড়ার আগেই কেন দেশের বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হলো?
আর যদি বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সরবরাহ কমানোর অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে সেটি শুধু ব্যবসায়িক অনিয়ম নয়; এটি ভোক্তার জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গেও সম্পর্কিত একটি গুরুতর বিষয়।
সরকারি পর্যায়ে বৈঠক হয়েছে, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগের কথা এসেছে বলে জানা গেছে এবং এলপিজি অপারেটরদের কাছে ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। তাই এখানে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র বের করা জরুরি। অভিযোগকে যেমন প্রমাণিত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া যায় না, তেমনি অভিযোগ ওঠার পর সেটিকে উপেক্ষাও করা যায় না।
ক্যাবের অভিযোগ আরও বড় প্রশ্ন সামনে এনেছে
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান এলপিজির দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়াকে অস্বচ্ছ বলে অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবি, দাম বাড়ানোর আগে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে অস্থিরতা তৈরি করা হয়েছিল।
এই অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। তবে অভিযোগটি যে প্রশ্নটি সামনে আনে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ -বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর কার কতটা নিয়ন্ত্রণ এবং সেই নিয়ন্ত্রণের অপব্যবহার হচ্ছে কি না, সেটি কি যথেষ্ট নজরদারির মধ্যে আছে?
বিশেষ করে যখন বড় কয়েকটি কোম্পানির হাতে বাজারের উল্লেখযোগ্য অংশ নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা বলা হচ্ছে, তখন সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত পুরো বাজারে প্রভাব ফেলছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
কারণ একটি প্রতিযোগিতামূলক বাজারে কোনো একটি পক্ষের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া বা মজুতের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ থাকলে শেষ পর্যন্ত তার খেসারত দিতে হয় ভোক্তাকেই।
বিইআরসির দায়িত্ব শুধু দাম ঘোষণা করা নয়
বিইআরসি জানিয়েছে, ১২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে সেপ্টেম্বরে তারা কত পরিমাণ এলপিজি বিক্রি করেছে, সে তথ্য চাওয়া হয়েছে। জেলা পর্যায় পর্যন্ত তদারকির কথাও বলা হয়েছে।
এটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে -এই তদারকি কতটা কার্যকর হবে?
কারণ ভোক্তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো, বিইআরসি ১ হাজার ৮৩৭ টাকা দাম নির্ধারণ করেছে কি না, সেটি নয়; বরং ভোক্তা দোকানে গিয়ে সত্যিই ১ হাজার ৮৩৭ টাকায় ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে পারছেন কি না।
নির্ধারিত দামের সঙ্গে খুচরা বাজারের দামের যদি কয়েকশ টাকা পার্থক্য থাকে, তাহলে শুধু নতুন দাম ঘোষণা করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। আমদানিকারক থেকে ডিলার, ডিলার থেকে খুচরা বিক্রেতা -পুরো সরবরাহ চেইনে নজরদারি প্রয়োজন।
একই সঙ্গে অবৈধ মজুত, সরবরাহ আটকে রাখা, অতিরিক্ত মুনাফা বা নির্ধারিত দামের বাইরে বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হলে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে মধ্যবিত্তের
এলপিজির দাম বৃদ্ধির সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রভাব পড়ছে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের বাজেটে।
একটি পরিবার হয়তো সরাসরি বলবে না যে এলপিজির দাম বাড়ার কারণে তারা খাবার কম খাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে রান্নার পদ কমে যাচ্ছে, দুপুরের রান্না রাতে খাওয়া হচ্ছে, অতিথি আপ্যায়নে কাটছাঁট হচ্ছে, নাস্তার তালিকা ছোট হচ্ছে -এগুলোই আসলে জ্বালানি ব্যয়ের বাড়তি চাপের সামাজিক প্রতিফলন।
একজন গৃহিণী যখন হিসাব করেন, কোন খাবার দ্রুত রান্না হবে, কোন খাবার কম গ্যাসে তৈরি হবে কিংবা এক রান্না দিয়ে দুই বেলা চালানো যাবে কি না, তখন বোঝা যায় জ্বালানির দাম কীভাবে পরিবারের জীবনযাত্রার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে।
এখানে বিষয়টি শুধু ‘সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বেড়েছে’ -এতটুকু নয়। সেই ২৫২ টাকা মেটাতে গিয়ে পরিবারটি হয়তো অন্য কোনো পণ্য কম কিনছে, রান্নার একটি পদ বাদ দিচ্ছে অথবা অন্য কোনো প্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে দিচ্ছে।
অটোগ্যাসেও বাড়তি চাপ
শুধু বাসাবাড়ির এলপিজি নয়, অক্টোবর মাসে অটোগ্যাসের দামও প্রতি লিটারে ১০ টাকা ৯১ পয়সা বাড়িয়ে ৮৪ টাকা করা হয়েছে। ফলে পরিবহন খাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
জ্বালানি ব্যয় বাড়লে পরিবহন ব্যয় বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। আর পরিবহন ব্যয় বাড়লে পণ্য পরিবহনের খরচও বাড়তে পারে। শেষ পর্যন্ত তার প্রভাব বাজারের অন্যান্য পণ্যের ওপর পড়ার ঝুঁকি থাকে।
অর্থাৎ এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব একটি সিলিন্ডার কেনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি বৃহত্তর জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গেও সম্পর্কিত।
এখন সবচেয়ে জরুরি স্বচ্ছতা
এলপিজির দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারণ করা হয় -এটি একটি গ্রহণযোগ্য নীতিগত কাঠামো হতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশের বাজারে দাম কমবে, বাড়লে বাড়বে -এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু সেই কাঠামো কার্যকর রাখতে হলে প্রতিটি ধাপ স্বচ্ছ হতে হবে।
কত দামে এলপিজি আমদানি হলো, সৌদি সিপি কত ছিল, জাহাজ ভাড়া কত, প্রিমিয়াম কত, ডলারের বিনিময় হার কত ছিল, অন্যান্য খরচ কত—এসব হিসাব ভোক্তার কাছে পরিষ্কার হওয়া দরকার। একই সঙ্গে নির্ধারিত দামের বাইরে বাজারে যে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেটিও প্রকাশ করা প্রয়োজন।
কারণ স্বচ্ছতা না থাকলে দাম বাড়ার প্রতিটি ঘোষণাই ভোক্তার কাছে সন্দেহ তৈরি করবে।
দাম নির্ধারণের পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনাও জরুরি
এলপিজি বাজারে একটি বিষয় পরিষ্কার- শুধু দাম নির্ধারণ করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।
দাম নির্ধারণের পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে পর্যাপ্ত সরবরাহ, ন্যায্য খুচরা মূল্য, প্রতিযোগিতামূলক বাজার এবং কার্যকর তদারকি। কোনো প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠী যদি বাজারে সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে থাকে, তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। আবার ব্যবসায়ীদের দাবি যদি হয় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রকৃতপক্ষেই আমদানি ব্যয় বেড়েছে, তাহলে সেই তথ্যও প্রকাশ্য হওয়া উচিত।
অর্থাৎ প্রয়োজন দুই পক্ষের বক্তব্যের বাইরে তথ্যভিত্তিক বাজার নিরীক্ষা।
জানুয়ারির ১ হাজার ৩০৬ টাকা থেকে অক্টোবরে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা -এই ৫৩১ টাকার ব্যবধান শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়। এর পেছনে রয়েছে একটি পরিবারের বাড়তি ব্যয়, কমে যাওয়া রান্নার পদ, ছোট হয়ে যাওয়া অতিথি আপ্যায়ন এবং মাসের শেষে হিসাব মেলানোর সংগ্রাম।
একই সঙ্গে এটিও সত্য যে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রোপেন-বিউটেনের দাম এবং জাহাজ ভাড়া বেড়েছে। ফলে মূল্য সমন্বয়ের বাস্তব কারণ থাকতে পারে। কিন্তু সেই কারণের আড়ালে বাজারে কৃত্রিম সংকট, মজুতদারি কিংবা অতিরিক্ত মুনাফার সুযোগ তৈরি হলে তা কোনোভাবেই ভোক্তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।
সরকারের সামনে তাই মূল চ্যালেঞ্জ শুধু এলপিজির দাম নির্ধারণ করা নয়; নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া নিশ্চিত করা।
একটি স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক ও জবাবদিহিমূলক বাজারে আন্তর্জাতিক মূল্যবৃদ্ধির যৌক্তিক প্রভাব ভোক্তা বুঝতে পারবেন। কিন্তু একই সঙ্গে ভোক্তার প্রশ্নেরও উত্তর দিতে হবে—কেন সংকট হলো, কোথায় গ্যাস আটকে ছিল, নির্ধারিত দামের চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি নেওয়া হলো কেন এবং এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কারণ শেষ পর্যন্ত এলপিজির দাম শুধু জ্বালানির দাম নয় -এটি মানুষের খাবারের তালিকা, সংসারের বাজেট এবং জীবনযাত্রার মানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাই দাম বাড়ানোর আগে যেমন যুক্তি দরকার, দাম বাড়ার পর বাজারে সেই দাম বাস্তবায়নের জন্যও তেমনি কঠোর জবাবদিহি দরকার।
নাজমুল হাসান, সাংবাদিক
