ভেজাল যৌন উত্তেজক ওষুধের রমরমা ব্যবসা, কারখানা সিলগালা
কাগজ প্রতিবেদক, নাটোর
প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
ছবি: ভোরের কাগজ
নাটোরে ভেজাল ও অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক ঔষধ তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল ঔষধ ও তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করেছে ডিবি পুলিশ। এ সময় ভেজাল ঔষধ তৈরি ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার রাতে তাদের গ্রেপ্তারের পর আজ রোববার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার শরিফুল হক।
পুলিশ সুপার শরিফুল হক জানান, ফেসবুকের এসকে নিউট্রিশন ও অর্গানিক বায়ো কেয়ার সলিউশন নামে দুটি পেজের মাধ্যমে অনলাইনে এবং দোকান থেকে ভেজাল যৌন উত্তেজক ও আয়ুর্বেদিক ঔষধ বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর থানার লক্ষীপুর ইউনিয়নের পার আটঘরিয়া গ্রামে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশের একটি টিম। অভিযানকালে ভেজাল যৌন উত্তেজক ঔষধ তৈরির কারখানার মালিক খোকন মিয়ার (২৮) বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ভেজাল ও অনুমোদনহীন ঔষধসহ ঔষধ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে ওই কারখানার মালিক খোকন মিয়াসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কারখানার মালিক খোকন মিয়া স্বীকার করেন যে, এক বছর ধরে তিনি প্রায় ৪০ ধরনের যৌন উত্তেজকসহ বিভিন্ন রোগের জন্য অনুমোদনহীন ও ভেজাল ঔষধ তৈরি ও বাজারজাত করছিলেন। এসব ভেজাল ঔষধ বিক্রি করে বছরে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকা আয় করতেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। ঘটনার সঙ্গে আরও যদি কেউ জড়িত থাকে, তাহলে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
গ্রেপ্তার অন্য দুইজন হলেন নাটোর সদর উপজেলার একই গ্রামের খবির হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম (২৮) এবং নাটোর সদর উপজেলার আওড়াইল দক্ষিণপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে তারিকুল ইসলাম (২৪)। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
