×

রংপুর

ঈদে বাড়ছে ছুরি-দার চাহিদা, কাঁচামালের দামে দুশ্চিন্তায় কারিগররা

Icon

নীলফামারী প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম

ঈদে বাড়ছে ছুরি-দার চাহিদা, কাঁচামালের দামে দুশ্চিন্তায় কারিগররা

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে নীলফামারীতে ব্যস্ততা বেড়েছে কামারশিল্প কারিগরদের। জেলার সদর উপজেলার বড়বাজারের কামারপাড়ায় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে লোহা পেটানোর টুংটাং শব্দ। দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি ও কোরবানিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরিতে এখন দম ফেলার সময় পাচ্ছেন না কারিগররা।

স্থানীয়রা জানান, অর্ধশত বছর ধরে কোরবানির ঈদ ঘিরে কামারপাড়ায় এমন ব্যস্ততা দেখা যায়। প্রতি বছর ঈদ ঘনিয়ে এলে কাজের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে কাজ করে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করছেন কারিগররা।

কারিগর কৃষ্ণ চন্দ্র রায় বলেন, “এ পেশা দাদার আমল থেকে করে আসছি। কাজ বাড়লেও কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো লাভ হচ্ছে না। তারপরও বাপ-দাদার পেশা ধরে রাখতে ভিন্ন পেশায় যেতে পারি না।”

আরেক কারিগর পরিমল রায় বলেন, “সারা বছরই কাজ থাকে, তবে ঈদ এলে ব্যস্ততা অনেক বেড়ে যায়। দিন-রাত পরিশ্রম করে ক্রেতাদের প্রয়োজনীয় জিনিস তৈরি করছি।” তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের অনাগ্রহে এ শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কায়িক পরিশ্রম বেশি হওয়ায় এ পেশায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে।

কোরবানির সরঞ্জাম কিনতে আসা ক্রেতা মো. রোকনুজ্জামান বলেন, “সবকিছুর দাম বেড়েছে। তাই লোহার জিনিসপত্রের দামও বেশি। তবু প্রয়োজনের জন্য কিনতে হচ্ছে।”

কারিগররা মনে করেন, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও কঠোর পরিশ্রমের কারণে ঐতিহ্যবাহী এ শিল্প টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। সরকারি প্রণোদনা পেলে এ শিল্প টিকে থাকবে বলে আশা তাঁদের।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

৭ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার আভাস

৭ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার আভাস

‘আড়ালে-আবডালে দুর্বৃত্ত আছে, অস্বীকার করার সুযোগ নেই’

‘আড়ালে-আবডালে দুর্বৃত্ত আছে, অস্বীকার করার সুযোগ নেই’

ডন থ্রি বিতর্কে চাপে রণবীর সিং

ডন থ্রি বিতর্কে চাপে রণবীর সিং

নবম পে-স্কেল: কার কত বেতন বাড়ছে

নবম পে-স্কেল: কার কত বেতন বাড়ছে

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App