প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদা তোলার দুঃসাহস কারা দেখায়, প্রশ্ন নাহিদের
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনার মধ্যে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি জানতে চেয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর আসন হিসেবে পরিচিত এলাকায় চাঁদা তোলা কিংবা সম্পত্তি দখলের মতো দুঃসাহস কারা দেখাতে পারে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম এসব প্রশ্ন তোলেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, রাতের আঁধারে জুলাইয়ের আন্দোলনের সহযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করা জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। এ ঘটনার পেছনে চাঁদা না দেওয়া অথবা সম্পত্তি দখলের -দুই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম প্রশ্ন করেন, এবার ঘটনাটি খোদ প্রধানমন্ত্রীর আসনে ঘটেছে। সেখানে চাঁদা তোলা কিংবা সম্পত্তি দখলের দুঃসাহস কারা দেখাতে পারে।
তিনি আরও বলেন, কোনো স্থাপনা অবৈধ হলে কিংবা কেউ দখল করে রাখলে তা উদ্ধারের জন্য আইন ও আদালতের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে সারাদেশে ক্ষমতাসীনদের এমন আচরণ কী নির্দেশ করছে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগও করেন নাহিদ ইসলাম। তাঁর দাবি, ৫ আগস্ট বিকেল থেকেই এর শুরু হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ওই সময় দেশের তরুণরা নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশায় থাকলেও বিএনপির ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ সারাদেশে আওয়ামী লীগের চাঁদাবাজি ও দখলবাজির সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে নেয়।
নাহিদ ইসলামের ভাষ্য, শুধু আগের শাসনামলের সম্পদ ও প্রভাবের কাঠামো নিয়ন্ত্রণেই তারা থেমে থাকেনি; চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের পরিমাণ এবং পরিধিও বেড়েছে। তাঁর অভিযোগ, এতে দেশের ১৮ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এসব ঘটনায় সরকারের কাছে, বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিচার চাওয়াকে তিনি অর্থহীন মনে করেন। একই সঙ্গে চাঁদাবাজির হাত থেকে দেশ মুক্ত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
নাহিদ ইসলামের এসব বক্তব্য তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে দেওয়া অভিযোগ ও মতামত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
