পাকার আগে হাওরে ভেসে গেছে কৃষকের স্বপ্ন-জীবিকা
হরলাল রায় সাগর
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১২ পিএম
ছবি : ভোরের কাগজ
মাঠে মাঠে বোরো ধান। কাঁচাবরণ ছেড়ে হলুদাভ ধারণ করেছে। আর কয়েকদিন পরেই সোনালি আভায় ছড়াবে সুবাস। কিন্তু হাওর অঞ্চলে বছরের একমাত্র জীবিকার সম্বল এই বোরো ধান এখন দুঃস্বপ্ন ডেকে আনছে কৃষকের। চৈত্রের অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে সিলেটসহ সাত জেলার কিছু হাওরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় পাকার আগেই তলিয়ে গেছে ধান। সেচযন্ত্র চালিয়েও অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না। আবার ঠিকমতো সেচযন্ত্র চালানোও সম্ভব হচ্ছে না ডিজেলের অভাবে।
পানি নিষ্কাশনের বিকল্প কোনো ব্যবস্থাও নেই। পানির তোড়ে বাঁধ ভেঙেও পানি ঢুকছে ফসলি জমিতে। ফলে সারাবছরের খোরাকি এই বোরো ধান পানিতে পচে যাওয়ার আশঙ্কায় বুক চাপড়াচ্ছেন কৃষকরা। অনেক কৃষক বুকভরা কষ্ট নিয়ে কোমরপানিতে নেমে অপরিপক্ব-কাঁচা ধান কাটছেন। বেশিরভাগই কাটা হচ্ছে গবাদিপশুর খাবারের জন্য। চরম ক্ষতি মানতে পারছেন না তারা। কৃষকরা ঋণের বোঝা আর পরিবারের সারাবছরের ভরণপোষণের চিন্তায় দিশেহারা।
কৃষকদের অভিযোগ, হাওরে ফসল রক্ষার বাঁধ থাকলেও আটকে পড়া পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় অধিকাংশ কৃষকের আধাপাকা ও কাঁচা ধান তলিয়ে গেছে। তারা বলেন, যদি হাওরের ফসল রক্ষাই না হলো, তা হলে ক্ষেত করে লাভ কী।
হাওরের চার হাজার ৮৪৭ হেক্টর জমির ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে বলে প্রাথমিক হিসাব দিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এরমধ্যে ৪০ শতাংশ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তারা। তাদের মতে, আবহাওয়া আর বৈরি না হলে বোরোতে আর বড় ধরণের ক্ষতি হবে না।
তারা বলছেন, হাওরের তলদেশে চাষ করা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে, যা বোরো আবাদের তুলনায় নগণ্য। তবুও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এই ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন কৃষকদের সর্বাত্মক সহযোগিতায় নিয়োজিত রয়েছে। পহেলা বৈশাখ থেকে হাওরে পুরোদমে ধান কাটা শুরু হবে। আগাম চাষ করা বোরো ধান ইতোমধ্যে কাটা শুরু হয়েছে বলেও জানায় কৃষি বিভাগ।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট আঞ্চলিক কার্যালয়ের তথ্যমতে, এবার হাওরের সাত জেলা- সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চার লাখ ৯৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। এরমধ্যে তিন হাজার ৬৪০ হেক্টর জমির ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সদর দপ্তর জানিয়েছে, হাওরে পানিতে নিমজ্জিত ধানের জমির পরিমাণ চার হাজার ৮৪৭ হেক্টর। তার পুরোটাই ফসলরক্ষা বাঁধের খাল ও হাওরের তলদেশে আবাদ করা বোরো ধান। তবে ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা যায়নি।
কয়েকদিন ধরে অব্যাহতভাবে অতি ঝড়বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে হাওর অঞ্চলে। এছাড়া মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাহাড়ি ঢলও নেমে আসছে ভাটিতে। এই পানিতে হাওর ডুবে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ডুবেছে অনেক হাওর। আর এতে ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন ও জীবিকা- বোরো ধান। আবহাওয়া এখনো অনুকূলে নয়। এই রোদ, এই বৃষ্টি। প্রায় প্রতিদিন বৃষ্টি হচ্ছে সিলেট অঞ্চলে। দেশে এবং ভারতের মেঘালয়ে আরো ভারী বৃষ্টি হলে একেবারেই সর্বনাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। বিরূপ আবহাওয়ায় হাওর ও নদীতে পানি বাড়ায় কৃষকদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকরা জানান, এ সময় স্থানীয় ভারী বৃষ্টি, উজানের পাহাড়ি ঢল, আগাম বন্যার আশঙ্কা থাকে হাওর এলাকায়। কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে কৃষকের সর্বনাশ হয়ে যায়। কারণ হাওর থেকেই প্রায় ২১ লাখ মেট্টিক টন বোরো ধান উৎপাদন হয়।
মাঠের ফসল তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক কৃষিবিদ আব্দুর রহমান মণ্ডল ভোরের কাগজকে বলেন, স্থানীয় বৃষ্টির পানি ও উজানের পানি হাওরের তলদেশে জমেছে। এতে পানিতে ডুবে যাওয়ায় কিছু বোরো ধানের ক্ষতি হবে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। আগের মতো এখন আর বৃষ্টি হচ্ছে না। তাই বেশি ক্ষতি হবে না বলে আশা করেন তিনি। কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন বোরো ধান রক্ষায় ও কৃষকের পাশে রয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মোশাররফ হোসেন ভোরের কাগজকে জানান, মার্চে স্থানীয়ভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়া উজান থেকে ব্যাপক পাহাড়ি ঢল নেমে এসেছে হাওরে। ফলে হাওরের অত্যন্ত নীচু এলাকার তিন হাজার ৬৪০ হেক্টর জমির ফসল ডুবে গেছে। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ নষ্ট হতে পারে। দুই-তিন দিন ধরে সিলেট অঞ্চলের বৃষ্টিপাত কম হচ্ছে। আবহওয়া আর বিরূপ না হলে ও উজানের পানি নেমে না আসলে বোরোতে বড় ধরণের কোনো ক্ষতি হবে না।
তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ থেকেই হাওরে পুরোদমে ধান কাটা শুরু হবে। এরই মধ্যে ৩০৭ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। তবে জলাবদ্ধতার কারণে অনেক স্থানে ধান কাটার কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন চালানো যাবে না। তাই ধান কাটার শ্রমিক নিয়োগের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। গতকাল রবিবার বিকালে তাহেরপুরের মাটিয়ান হাওরসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন ও কৃষক-ধান কাটার মেশিন হারভেস্টারের মালিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, যান্ত্রিক ও সনাতন পদ্ধতিতে ধান কাটার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জ্বালানি তেলের বিষয়েও কথা হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে। বড় কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করেন তিনি।
কৃষি বিভাগের তথ্যানুযায়ী, এবার সুনামগঞ্জ জেলায় বোরো ধানের আবাদ হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে। বৃষ্টিপাতে প্রায় অর্ধশত হাওরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২০টি হাওর ও বিলের কাঁচা ধানে পচন ধরেছে। ফলে কয়েক হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান নষ্টের আশঙ্কা করছেন কৃষক।
সুনামগঞ্জের দেখার হাওরে গুজাউনি ফসলরক্ষা বাঁধ শনিবার ভোররাতে ভেঙে যায়। দুর্গম ও লোকালয়হীন হাওরের এই বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকেছে। বাঁধটি রক্ষা ও মেরামত করার চেষ্টা করছেন শতশত কৃষক। স্থানীয় পাউবো সহায়তা করেছে বাঁধ মেরামতে। সুনামগঞ্জ সদর, শান্তিগঞ্জ, দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলার এই হাওরে ৪৫ হাজার ৮৫৯ হেক্টর জমি থাকলেও প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান তলিয়ে যেতে পারে পানিতে। ইতোমধ্যে অনেক জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে।
শান্তিগঞ্জ উপজেলার আস্তমা গ্রামের কৃষক শহিদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, বড়দই জলমহাল-সংলগ্ন স্থানীয় কৈমারা নদীর বাঁধ কেটে গত মাসে মাছ আহরণ করেন বিলের ইজারাদাররা। তারা তখন নদীর বাঁধটি কেটে পানি নিষ্কাশন করে মাছ আহরণ করেন। কিন্তু মাছ তুলে নেয়ার পর বাঁধটি ভালো করে বেঁধে যাননি। ফলে মার্চ মাসের শেষ দিকে টানা বৃষ্টিতে বাঁধটি নড়বড়ে হয়ে যায়। স্থানীয় কৃষকরা বারবার প্রশাসন ও পাউবোকে বিষয়টি অবগত করলেও তারা গুরুত্ব দেননি।
পাউবো সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, কৈমারা নদীর পাশের জলাশয়ের ইজারাদার মাছ ধরার পর বাঁধের কাজ ভালো করে করেনি, যার ফলে এই সমস্যা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, জেলার বিভিন্ন হাওরে ১ হাজার ১৮৯ হেক্টর বোরো জমি প্লাবিত হয়েছে। তবে ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। অনেক কৃষক নিজ উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি কিছু এলাকায় সরকারি উদ্যোগেও কাজ চলছে।
এদিকে সুনামগঞ্জের ডাকুয়া হাওরে জলাবদ্ধতা বেড়ে যাওয়ায় বাঁধ কেটে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চারটি গ্রামের লোকজন সংঘর্ষেও জড়ায়। এতে কয়েকজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করতে হয় প্রশাসনকে।
সিলেট সদর উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের কৃষক মকবুল মিয়া বলেন, আস্তমা এলাকায় বাঁধে কোনা স্লুইসগেট না থাকায় দেখার হাওরে বৃষ্টির পানিতে কৃষকের জমির আধাপাকা ধান তলিয়ে গেছে। তিনি বলেন, অপরিকল্পিত বাঁধ কৃষকের গলার ফাঁস হয়েছে। ইসলামপুরের আরেক কৃষক রশিদ মিয়া বলেন, জমিতে গলাসমান পানি। কৃষকের বাঁচার উপায় নাই। যে ধান কাটা হচ্ছে, সেগুলো কিছুদিন পরে কাটলে পরিপক্ব হয়ে যেত।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ, বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ ও লাখাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরের বিশাল এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসেবে প্রায় ৩০০ হেক্টর জমি নিমজ্জিত হয়েছে। তবে স্থানীয় সূত্র ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত বোরো ধানের জমির পরিমাণ ১০ হাজার বিঘা বা প্রায় ১৩৫০ হেক্টর ছাড়িয়ে গেছে।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাকালুকি ও কাউয়াদীঘি হাওরের নিচু এলাকায় ৫০০ বিঘা জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। হাকালুকি হাওরপারের কৃষক ফেদল মিয়া বলেন, তার পরিবারের পুরো বছরের খোরাকি চলে হাওরে বোরো ধানে। তিনি ১৪ কিয়ার (বিঘা) জমি আবাদ করেছিলেন। ধানে থোড় এসেছে। এখন পুরো জমির ধান পানির নিচে। তিনি বলেন, জমি আবাদ করতে প্রায় ২৫ হাজার টাকা ধারদেনা করতে হয়েছে। পরিশ্রম তো গেলই। লোন কীভাবে পরিশোধ করব। আমার ছয় মেয়ে ও চার ছেলে। এত বড় পরিবার। কীভাবে কী করব চিন্তাই করতে পারছি না। এত বড় ক্ষতি কিন্তু সরকার কোনো পদক্ষেপ নেয় না।
রাজনগর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরপারের কৃষক সামছুল, রিপন ঘোষ, জুয়েল বলেন, হাওরে নিচু এলাকার ধানিজমি তলিয়ে গেছে। পানি দ্রুত না কমলে পুরো ধান নষ্ট হয়ে যাবে।
কুলাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, এবার উপজেলার হাকালুকিসহ বিভিন্ন হাওরে ৮ হাজার ৭০৪ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে। ভারী বৃষ্টিতে ও উজানের ঢলে হাওর এলাকায় পানি প্রবেশ করতে পারে। আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে পানি দ্রুত নেমে যাবে। ফসলের তেমন ক্ষতি হবে না। প্রায় ৫০০ বিঘার মতো জমিতে পানি উঠেছে। বৃষ্টি হলে পানি বাড়তে পারে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, গত ১৫-২০ দিন ধরে অব্যাহতভাবে ঝড়বৃষ্টি ও শিলা বৃষ্টিপাত হচ্ছে। উজানের ঢলও নেমে এসেছে। এতে হাওরাঞ্চলের নিচু জমিগুলোয় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। বিশেষ করে টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিস্থিতি বেশি উদ্বেগজনক। তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলার ছোট-বড় প্রায় ২০টি হাওর ও বিলের বেশির ভাগ অংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পচন ধরেছে কাঁচা ধানে। তাদের অভিযোগ, টানা বৃষ্টিতে নদীর পানি বাড়ায় টাঙ্গুয়ার হাওরের তাহিরপুর অংশের নজরখালী বাঁধ ভেঙে যায়। রামসার সাইট (আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সংরক্ষিত জলাভূমি) হওয়ায় সেখানে সরকারি বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। প্রতি বছর কৃষক নিজ খরচে বাঁধটি মেরামত করেন। তবে এবার সেটিও করা হয়নি। এতে টাঙ্গুয়ার হাওরকেন্দ্রিক ৮২টি গ্রামের কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের একজন রাইসুল হক জানান, তার আট কিয়ার বা বিঘা জমি সম্পূর্ণ পানিতে তলিয়ে গেছে এবং সেখান থেকে ধান পাওয়ার আর কোনো সম্ভাবনা নেই। আরেক কৃষক বাবুল মিয়া বলেন, শীষ আসার সময়ই হাওরে পানি ঢুকে পড়ায় ধানে পচন ধরেছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে কৃষকদের পথে বসতে হবে। এছাড়া নেত্রকোনা জেলার অন্তত ৫০০ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে পানিতে।
