×

প্রথম পাতা

হামলার তীব্রতা বাড়ছেই, যুদ্ধে জড়াতে পারে পাকিস্তান-সৌদি

Icon

মিলিতা বাড়ৈ মুন্নি

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

হামলার তীব্রতা বাড়ছেই, যুদ্ধে জড়াতে পারে পাকিস্তান-সৌদি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে। এবার এই যুদ্ধে যুুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াতে পারে সৌদি আরব ও পাকিস্তান। সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সৌদি আরবে হামলার পর, পাকিস্তানের এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের একটি দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে। চুক্তির বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, সৌদি আরবের ওপর হামলা হলে পাকিস্তানকে বাধ্য হয়ে যুদ্ধে নামতে হতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, হরমুজে একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর আব্বাসসহ বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামোতে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। এসব হামলার অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রথমবারের মতো সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিমানবন্দর ও রেল স্টেশনের মতো স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এসব হামলায় অন্তত ইরানের ৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৯ জন।

অপরদিকে এর জবাবে গতকাল শুক্রবার সিরিয়া, ওমান, বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালি বন্ধের কড়া হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে। তাদের দাবি, মার্কিন হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে কোনো জ্বালানি তেল বা গ্যাস রপ্তানি করতে দেয়া হবে না। একই সঙ্গে লোহিত সাগরে তেল পরিবহন বন্ধে হুতিদের প্রস্তুতি নিতে বলেছে ইরান। রয়টার্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা ইরানের এই নিয়ন্ত্রণ দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক নৌপথ চালু রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন তারা। তবে এরই মধ্যে তেলের দাম বেড়েছে এবং অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বৈশ্বিক আর্থিক বাজারেও।

এমন পরিস্থিতিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা আরো জোরদার করার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এএফপি জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে ইরানের আহভাজ, কেশম, বুশেহের, দাশতি, বোস্তান, সিরিক, বন্দর-ই লেঙ্গেহ, বন্দর-ই খামির, বন্দর আব্বাস শহর এবং হরমুজগান প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় বড় আকারে বিমান অভিযান চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এর মধ্যে ইরানের বেসামরিক ৫টি সেতু, একটি ট্রেন স্টেশন এবং একটি বিমানবন্দরও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বন্দরনগরী বান্দর আব্বাসের সঙ্গে খামির ও লার শহরের সংযোগকারী ‘গারিভেহ সেতু’ এবং লতিদান গ্রামের নিকটবর্তী ঐতিহাসিক ও কৌশলগত সেতু ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ছাড়া কাহুরেস্তান-লার রুটে অবস্থিত দুটি ভিন্ন সেতু, বন্দর-ই খামির ও কেশারের সঙ্গে বান্দর আব্বাসের সংযোগকারী নির্মাণাধীন বড় সেতু এবং খামির জেলার মারু গ্রামের স্থানীয় একটি সেতু এই বিমান হামলায় লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। বন্দর আব্বাসের একটি রেল স্টেশন এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রও মার্কিন হামলার শিকার হয়েছে। হরমুজগান প্রদেশেও হামলা হয়েছে।

এর আগে গত ১৪ জুলাই ফক্স নিউজকে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরে রাজি না হয়- তাহলে দেশটির সামরিক কাঠামোর পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুর মতো অত্যাবশ্যকীয় বেসামরিক কাঠামোগুলোকেও হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করবে মার্কিন বাহিনী। এই হুমকির দুই দিনের মাথায় ইরানের একাধিক বেসামরিক স্থাপনাকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করল মার্কিন বাহিনী।

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা আরো দুর্বল করতে টানা আরেক রাত (বৃহস্পতিবার) হামলা চালিয়েছে তারা। হামলার লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ছিল কেশম দ্বীপ এবং বন্দর আব্বাসের আশপাশের এলাকা। মূলত বন্দর আব্বাসে ইরানের নৌবাহিনী ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি এবং দেশটির সবচেয়ে বড় বন্দরের অবস্থান। এক বিবৃতিতে সেন্টকম বলেছে, যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করে ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা কেন্দ্র, সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ অবকাঠামো এবং সামুদ্রিক সক্ষমতাসংশ্লিষ্ট কয়েক ডজন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।

ইরানের গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ হামলায় পাঁচটি সেতু, উপকূলীয় শহর বন্দর-ই খামিরের রেল স্টেশন ও দক্ষিণ-পূর্বে ইরানশাহর বিমানবন্দর নিশানা করা হয়। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ বলেছে, দক্ষিণ ইরানের বন্দরনগরী বন্দর-ই খামিরের সেতুগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলার জবাবে সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অভিযান পরিচালনাকারী একটি কমান্ড সেন্টার, ওমানে মার্কিন রাডার স্থাপনা এবং কুয়েতে অস্ত্রের গুদাম ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থাকে নিশানা করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি। একই সঙ্গে কাতার, জর্ডান ও ইরাকেও হামলা চালিয়েছে তারা।

গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ জানায়, গত বুধবার (১৫ জুলাই) ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ইরানশাহরের কাছে বামপুরে সেনাবাহিনীর ৩৮৮তম ব্রিগেডের ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত সাত ইরানি সেনার মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের ওই দেশগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে। এরোস্পেস ফোর্সের (মহাকাশ বাহিনী) পরিচালিত এই অভিযানে একটি রাডার ব্যবস্থা ও বিশেষ অভিযানে ব্যবহৃত কয়েকটি মার্কিন হেলিকপ্টার ধ্বংস করা হয়েছে। অনেক মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।

আইআরজিসি বলেছে, ‘আমাদের সাহসী যোদ্ধারা এখনো হরমুজ প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন। যুক্তরাষ্ট্র যতক্ষণ তার উসকানিমূলক তৎপরতা চালিয়ে যাবে, ততক্ষণ মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেল বা গ্যাস রপ্তানি করতে দেয়া হবে না।’ একই সঙ্গে জ্বালানি পণ্য পরিবহনের অপর গুরুত্বপূর্ণ রুট লোহিত সাগরের জলপথ বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পানা নিয়েছে ইরান। এ ব্যাপারে প্রস্তুতি নেয়ার জন্য ইয়েমেনে নিজেদের মদদপুষ্ট হুথি গোষ্ঠীকেও নির্দেশ দিয়েছে ইরান। ইতোমধ্যে লোহিত সাগারের প্রবেশ পথ হিসেবে পরিচিত বাব এল-মান্দেব প্রণালির চারপাশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে ইরানের দুটি উচ্চপর্যায়ের সূত্র এবং একটি আঞ্চলিক সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে, সেক্ষেত্রে এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু হবে। তবে এরই মধ্যে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে এখন লোহিত সাগরের জলপথ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছে সৌদি আরব।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৭০ শতাংশ লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর দিয়ে রপ্তানি করে সৌদি আরব। এখন হুতিরা বাব-এল-মান্দেব প্রণালি অবরোধ করলে দেশটিতে অর্থনীতি ও রাজস্ব আয়ে বড় বিপর্যয় নেমে আসবে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জেরে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে লোহিত সাগর বন্ধ হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও পণ্য পরিবহনের সব প্রধান আন্তর্জাতিক পথই অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে। এতে বৈশ্বিক তেল বাজারে আরো ধস নামবে।

এরই মধ্যে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী এবং সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘ চার বছর ধরে বজায় থাকা অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটেছে। স¤প্রতি উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা এই অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। হামলার পর হুথিরা জানিয়েছেন, সৌদি আরব যদি ইয়েমেনে হামলা অব্যাহত রাখে, তবে তারাও সৌদির তেল স্থাপনা এবং বিমানবন্দরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে। এ ঘটনায় সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তান।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, তারা সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য সম্পূর্ণ প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। ইরানের মদদপুষ্ট হুথিদের যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে রিয়াদের পাশে আছে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর রয়েছে। পাশাপাশি হাজারো পাকিস্তানি সেনাসদস্য এবং একটি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন বর্তমানে সৌদি আরবে মোতায়েন রয়েছে। এ কারণেই সম্প্রতি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) জরুরি বৈঠকে সৌদির নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষায় পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেছে ইসলামাবাদ। কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির (পাকিস্তান-সৌদি আরব) আওতায়, সা¤প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব বৈঠক করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পাকিস্তানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, পাকিস্তানের শীর্ষ বেসামরিক ও সামরিক নেতৃত্ব ইরানকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে- সৌদি আরবের ওপর হামলাকে ইসলামাবাদ নিজেদের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করবে। তাদের ভাষায়, এটি পাকিস্তানের জন্য একটি ‘রেড লাইন’।

মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সা¤প্রতিক তীব্র সংঘাত এবং ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা’ ভেঙে পড়ার কারণে পুরো মাত্রায় যুদ্ধের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরানকে সমর্থন জানিয়ে হুতিরা যদি লোহিত সাগার বন্ধ করে দেয়, সে ক্ষেত্রে চুপ করে বসে থাকবে না সৌদি আরব। সে ক্ষেত্রে এই যুদ্ধে পাকিস্তানের জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। তখন ইরান-হুথিদের বিরুদ্ধে এক সঙ্গে লড়বে যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি আরব-পাকিস্তান।

স্বাভাবিকভাবেই এখন প্রশ্ন উঠছে- মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবারো ওয়াশিংটন ও তেহরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরাতে পাকিস্তান কতটা সক্ষম হবে? নাকি পাকিস্তান নিজেই জড়িয়ে পড়বে এই যুদ্ধে। এ বিষয়ে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বিশ্লেষক মুহাম্মদ আমির রানা বলেন, ‘পরিস্থিতি এত দ্রুত উত্তপ্ত হবে বলে ধারণা করেনি ইসলামাবাদ।’ পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের মতে, সৌদি-ইয়েমেন সীমান্তের কাছে পাকিস্তানি সেনাসদস্য মোতায়েন থাকায় হুথিদের হামলা অব্যাহত থাকলে সরাসরি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন তারাও।

মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও বর্তমানে আটলান্টিক কাউন্সিলের গবেষক জনাথন প্যানিকফ বলেন, নতুন হামলায় ইরানের অবস্থান বদলাবে- এমন বিশ্বাস করার কারণ নেই। বরং এতে তেহরানের অবস্থান আরো কঠোর হতে পারে।

অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, প্রেসিডেন্ট এখনো কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেন। তবে তার ভাষ্য, ‘ইরান শুধু সামরিক শক্তির ভাষাই বোঝে’। এমন অবস্থায় বিশ্লেষকেরা বলছেন, সামরিক চাপ বাড়িয়েও তেহরানকে নীতিগত ছাড় দিতে বাধ্য করা কঠিন হবে। এতে বরং সংঘাত আরো বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে এই যুদ্ধ জড়াতে পারে সৌদি আরব-পাকিস্তানও।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫,০৬৯

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫,০৬৯

ভয়াবহ তাপপ্রবাহে পুড়ছে বেলজিয়াম, ১৫ দিনে ২০০০ জনের মৃত্যু

ভয়াবহ তাপপ্রবাহে পুড়ছে বেলজিয়াম, ১৫ দিনে ২০০০ জনের মৃত্যু

দুপুরের মধ্যে যেসব অঞ্চলে তাণ্ডব চালাবে ঝড়

দুপুরের মধ্যে যেসব অঞ্চলে তাণ্ডব চালাবে ঝড়

গোল্ডেন বুটের সমীকরণ বদলাতে পারে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ

গোল্ডেন বুটের সমীকরণ বদলাতে পারে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App