হোয়াইট হাউসের কাছে গোলাগুলি, বন্দুকধারী নিহত
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ০৮:৪৪ এএম
ছবি : সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসের কাছে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় এক ব্যক্তি গুলি ছুড়লে ইউনাইটেড স্টেটস সিক্রেট সার্ভিসেন সদস্যদের সঙ্গে তার গোলাগুলি শুরু হয়। পরে পাল্টা গুলিতে বন্দুকধারী নিহত হন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৬টার পর সন্দেহভাজন ব্যক্তি ওয়াশিংটন ডিসির ১৭তম স্ট্রিট ও পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউয়ের সংযোগস্থলে একটি সিক্রেট সার্ভিস চেকপয়েন্টের কাছে এসে ব্যাগ থেকে অস্ত্র বের করে কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করেন।
প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ফেডারেল সংস্থা সিক্রেট সার্ভিস এক বিবৃতিতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানায়, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি একটি ব্যাগে অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন এবং চেকপয়েন্টে পৌঁছে তা বের করেন।
এ সময় এজেন্টরা পাল্টা গুলি চালালে ওই ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
গুলিবিনিময়ের সময় একজন পথচারীও গুলিবিদ্ধ হন। তবে তিনি সন্দেহভাজনের গুলিতে নাকি পাল্টাপাল্টি গুলির সময় আহত হয়েছেন তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
আরো পড়ুন : ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়ছেন মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসি গ্যাবার্ড
ঘটনার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে অবস্থান করছিলেন। ঘটনার পরপরই পুরো হোয়াইট হাউজজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা জারি করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তবে এ ঘটনায় সিক্রেট সার্ভিসের কোনো সদস্য আহত হননি।
মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে ট্রাম্পের নিরাপদ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। যদিও হোয়াইট হাউস থেকে প্রেসিডেন্টের অবস্থা নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান নেতা স্টিভ স্ক্যালিস এক্সে দেওয়া পোস্টে উদ্বেগ প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমরা বিপজ্জনক সময়ে বাস করছি।’
আল জাজিরার সাংবাদিক কিম্বারলি হালকেট ঘটনাস্থল থেকে জানান, হোয়াইট হাউসের নর্থ লনে ৩০টিরও বেশি গুলির শব্দ শোনা গেছে।
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের নৈশভোজের সময়ও গুলির ঘটনা ঘটেছিল। এক মাস না পেরোতেই নতুন করে আবারও এমন ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
