এক বছরে ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকে ট্রাম্পের আয় ১২০ কোটি ডলার
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর গত এক বছরে ক্রিপ্টোকারেন্সি খাত থেকে প্রায় ১২০ কোটি ডলার আয় করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সরকারি নৈতিকতা–সংক্রান্ত নথিতে তার ক্রিপ্টো ব্যবসা ও রয়্যালটি আয়ের এ তথ্য উঠে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নীতিবিষয়ক সংস্থা ইউএস অফিস অব গভর্নমেন্ট এথিকসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্স’ (ডব্লিউএলএফ) নামের একটি ক্রিপ্টো স্টার্টআপ থেকে ট্রাম্প প্রায় ৫৫ কোটি ডলার আয় করেছেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানের সহপ্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে রয়েছেন ট্রাম্প, তার পরিবারের সদস্যরা এবং মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের পরিবারের সদস্যরা। খবর বিবিসির।
এ ছাড়া ‘ডলার ট্রাম্প’ নামে একটি ক্রিপ্টোকারেন্সির লাইসেন্স চুক্তি থেকে ট্রাম্প ৬৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার রয়্যালটি পেয়েছেন বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে ডিজিটাল মুদ্রাটি বাজারে ছাড়া হয়।
আরো পড়ুন : জব্দ করা অর্থ দিয়ে ইরানের জন্য গম-ভুট্টা কিনবেন ট্রাম্প
মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস–এর তথ্য অনুযায়ী, ক্রিপ্টো খাত থেকে পাওয়া এই আয় ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে তার মোট সম্পদ ২৩০ কোটি ডলার থেকে বেড়ে প্রায় ৬৫০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
আবাসন ব্যবসায়ী থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই স্বার্থের সংঘাত–সংক্রান্ত সমালোচনার মুখে রয়েছেন। সমালোচকদের দাবি, ক্রিপ্টো খাতে নিজে বিনিয়োগকারী হওয়া সত্ত্বেও তিনি সরকারি নিয়ন্ত্রণ শিথিলসহ এমন কিছু নীতিগত পদক্ষেপ নিয়েছেন, যা ডিজিটাল মুদ্রার বাজারমূল্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউস। উপ-প্রেসসচিব আনা কেলি এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, প্রেসিডেন্ট বা তার পরিবারের সদস্যরা কখনোই কোনো স্বার্থের সংঘাতে জড়িত ছিলেন না এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন না।
