×

ব্যবসা-বাণিজ্য

নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি নেই, চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে পণ্য

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৭ এএম

নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি নেই, চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে পণ্য

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে এখনো স্বস্তি ফিরে আসেনি। ঈদুল ফিতরের প্রায় দুই সপ্তাহ আগেই পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছিল, যা এখনো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের ভোগান্তি কমেনি।

ঈদের আগে হঠাৎ করে সব ধরনের মুরগির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছিল। সবজির দামও ছিল তুলনামূলক বেশি। বর্তমানে মুরগির দাম সামান্য কমলেও তা এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। একই সঙ্গে সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে এবং ডিমের দামেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে পিঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পণ্যের দামে প্রভাব পড়েছে। এর ফলে সবজি ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে যেসব পণ্য আগে থেকেই মজুত ছিল, সেগুলোর দামে তেমন পরিবর্তন আসেনি।

গতকাল মিরপুর-১১ ও মিরপুর-৬ বাজারে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৮০–১৯০ টাকা, সোনালি কক ৩৪০–৩৫০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ৩২০ টাকা, লাল লেয়ার ৩২০–৩৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৮০–৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের ডিম প্রতি ডজন ১২০ টাকা।

গরুর মাংস ৮০০–৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১,০৫০ থেকে ১,১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজারেও চড়া দাম লক্ষ্য করা গেছে। বেগুন (গোল ও লম্বা) ৭০–৮০ টাকা, মরিচ ১২০–১৩০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৫০–৬০ টাকা, আলু ২০ টাকা, করলা ৮০–১০০ টাকা, বরবটি ৮০–৯০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০–৮০ টাকা, পটোল ৮০–১০০ টাকা, ধুন্ধল ৭০–৮০ টাকা, টমেটো ও শসা ৫০–৬০ টাকা এবং শজিনা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া মাঝারি মানের লাউয়ের পিস ৮০–১০০ টাকা এবং লেবুর হালি মানভেদে ৪০–৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পিঁয়াজের কেজি ৩৫–৪০ টাকা।

চালের বাজারে মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৮৫–৮৮ টাকা, রশিদ ৭৫–৮০ টাকা, নন-ব্র্যান্ড মিনিকেট ৭০ টাকা এবং দামি মিনিকেট মোজাম্মেল ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডালের বাজারে চিকন মসুর ১৫০–১৫৫ টাকা, মোটা মসুর ৯০–১০০ টাকা, বড় মুগ ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ১৭০ টাকা, খেসারি ১০০ টাকা, মাষকলাই ১৮০ টাকা এবং বুটের ডাল ১১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও দাম বেশ চড়া। রুই ৩০০–৩৫০ টাকা, কাতলা ৩২০–৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৮০–২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৮০–২২০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০–৭৫০ টাকা, মাঝারি কই ২০০–২৫০ টাকা, দেশি শিং ৬৫০–৭৫০ টাকা, শোল ৬৫০ টাকা, সুরমা ৩০০–৩৫০ টাকা এবং পাবদা ৩৫০–৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

কুষ্টিয়ায় হামে আরো ২ শিশুর মৃত্যু

কুষ্টিয়ায় হামে আরো ২ শিশুর মৃত্যু

অনুমাননির্ভর সংবাদ প্রকাশ না করার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

অনুমাননির্ভর সংবাদ প্রকাশ না করার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

চট্টগ্রামে ৩৫ দিনে বাতিল ২৪৫ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত চট্টগ্রামে ৩৫ দিনে বাতিল ২৪৫ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন ১৯ মে

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন ১৯ মে

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App