জ্বালানি সংকটের দ্রুত কোনো সমাধান নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
২০২৬-২৭ অর্থ বছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন বাণিজমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: সংগৃহীত
দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের দ্রুত সমাধানের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তবে সরকার সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেছেন।
রোববার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণসংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশের ভূগর্ভ থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ সীমিত। বর্তমানে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। বিদ্যমান অবকাঠামোর কারণে এর বেশি আমদানি সম্ভব নয়। ফলে স্বল্প সময়ে জ্বালানি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতির সম্ভাবনা নেই।
তিনি জানান, এলএনজি আমদানির সক্ষমতা বাড়াতে সরকার আরও দুটি এফএসআরইউ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে।
আরো পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে কী প্রভাব ফেলবে
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের শিল্পকারখানাগুলো তাদের স্থাপিত উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৩০ শতাংশ ব্যবহার করতে পারছে না। তবে এ সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব নয়। সরকার দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করছে।
রপ্তানি খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জ্বালানি ঘাটতিসহ নানা চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও চলতি সময়ে ১৫ শতাংশ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব বলে সরকার আশাবাদী। ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ৫ থেকে ৬টি দেশের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি সইয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
জাপানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কবে কার্যকর হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, চুক্তিটি জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে। সংসদের অনুমোদনের পরই এটি কার্যকর হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান এবং বিভিন্ন প্রধান রপ্তানি খাতের সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
