এমপিওভুক্তির দাবিতে মাঠে নামছেন শিক্ষকরা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৭ এএম
ছবি : সংগৃহীত
নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত করার দাবিতে রাজধানীতে অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ নন-এমপিও (বেতন-বিহীন) শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদের উদ্যোগে কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে রোববার (২৩ আগস্ট) করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শর্তসাপেক্ষে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মো. মাহবুব হোসেন কামালের সই করা অনুমতিপত্রে কর্মসূচি পালনে ২১টি শর্ত দেওয়া হয়েছে। এতে নির্ধারিত স্থান ও সময়ের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান ও মানববন্ধন শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের শর্ত অনুযায়ী, অনুমোদিত স্থানের বাইরে কর্মসূচি পালন করা যাবে না। পাশাপাশি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন বক্তব্য বা প্রচার, উসকানিমূলক বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে—এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাকায়ও বিদ্যুৎ নিয়ে ভোগান্তি, বাড়ছে লোডশেডিং
এ ছাড়া কর্মসূচিতে কোনো ধরনের মাদকদ্রব্য ব্যবহার করা যাবে না। জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত হয় এমন কর্মকাণ্ড না করার পাশাপাশি পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার কথাও বলা হয়েছে।
মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচির কারণে যাতে সাধারণ মানুষের চলাচলে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য সংগঠনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
অনুমতিপত্রে আরও বলা হয়েছে, অনুমোদিত স্থানের বাইরে কাউকে মানববন্ধন করতে দেওয়া যাবে না। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট আয়োজকদের দায় নিতে হবে।
এদিকে কর্মসূচির বিষয়ে বাংলাদেশ নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদের সদস্যসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বছরের পর বছর নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতা ছাড়াই দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁদের প্রধান দাবি হলো, যোগ্য নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করে শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ধারাবাহিক কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।
