সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলায় প্রজন্ম লীগ নেতা গ্রেপ্তার
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের এক নেতাসহ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। এ নিয়ে ঘটনায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট ও বেইলি রোড এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন শাহ আলম অনিক ও মো. শাহরিয়ার। এর আগে মো. মামুন, আসলাম ও মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, শাহ আলম অনিক মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে ডিবি।
এর আগে রোববার দুপুরের পর বেইলি রোড এলাকা থেকে শাহরিয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ তাকে হামলার ‘মূল পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এছাড়া ভাসানটেক বস্তির মো. মামুন, মজুমদার মোড় এলাকার আসলাম ও মুন্নাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্যমতে, শাহ আলম অনিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে হামলায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রপার্টিজ এলাকায় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ, দুই ট্রাকে করে লোকজন এসে স্টুডিওতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। পরে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ঘটনার ভিডিও প্রকাশ করেন এবং হামলার পেছনে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন।
তবে পুলিশ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে হামলার পেছনে জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। নিউ গিনি প্রপার্টিজের কাছ থেকে একটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে সেখানে স্টুডিও তৈরি করেছিলেন সালমান মুক্তাদির। ক্যান্টনমেন্ট থানার পুলিশ জানিয়েছে, নিউ গিনি প্রপার্টিজ ও এলাকার অন্য জমির মালিকদের মধ্যে বিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। গ্রেপ্তার পাঁচজনের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
