ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানি দিতে গিয়ে আহত শতাধিক
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানি দিতে গিয়ে ধারালো ছুরির আঘাতে হাত ও পা কেটে শতাধিক মানুষ জখম হয়েছেন। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা এসব আহত ব্যক্তি স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পশু জবাই ও মাংস তৈরির সময় অসতর্কতার কারণে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৮টার পর থেকে দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগের রেজিস্ট্রার বই (রোগীর তথ্যবই) থেকে এই পরিসংখ্যা জানা গেছে।
জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অসাবধানতাবশত হাত-পায়ের আঙুল কেটে রক্তাক্ত অবস্থায় রোগীরা হাসপাতালে আসছেন। তাঁদের প্রত্যেককেই তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন যে, আহতদের আঘাত গুরুতর হলেও বর্তমানে সবাই আশঙ্কামুক্ত।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘কোরবানির দিন শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় অসংখ্য পশু কোরবানি হয়েছে। এসব পশু কোরবানি করতে গিয়ে মৌসুমী কিছু কসাই এবং কোরবানিদাতাদের পরিবারের সদস্যরা পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে মাংসের বিভিন্ন অংশ কাটতে গিয়ে তাদের কারও হাতে কারো পায়ে ধারালো ছুরির আঘাত লেগে আহত হয়। তাদের প্রত্যেককে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে এ ধরনের রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।’
আহতদ সোহাগ মিয়া বলেন, ‘পায়ের নিচে রেখে মাংস কাটতে গিয়ে আমার পায়ে কোপ পড়ে। এতে তার পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লাগে। পরে পরিবারের লোকজন হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনটি সেলাই দেওয়া হয়েছে।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শুভ্র রায় জানান, ‘সকাল থেকে প্রায় শতাধিক রোগী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। তারা সবাই কোরবানির মাংস কাটতে গিয়ে কোনও না কোনোভাবে আহত হয়েছেন। আহতদের সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে কারও অবস্থা গুরুতর নয়। আহতরা সবাই শঙ্কামুক্ত। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত আরও আহতরা হাসপাতালে আসছিলেন।’
