শ্যালিকাকে অপহরণ করে ‘ধর্ষণ’, ২৭ দিন পর দুলাভাই আটক
রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
খাগড়াছড়ির রামগড় থেকে শ্যালিকাকে অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে বিয়ের প্রলোভনে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে আপন ভগ্নিপতির বিরুদ্ধে। ঘটনার ২৭ দিন পর পুলিশের হাতে আটক হয়েছে দুলাভাই। উদ্ধার করা হয়েছে অপহৃত শালীকে।
জানা গেছে, গত ২২ জুন সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটের সময় রামগড় গনিয়াতুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার সামনে রামগড়-বারৈয়ারহাট রাস্তার ওপর থেকে অপহৃত হন ভিকটিম (১৩)। দিনশেষে অনেক খোঁজাখুঁজির পর মেয়েকে না পেয়ে রামগড় থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন মা সালেহা খাতুন। অপহৃত ভিকটিম রামগড় গনিয়াতুল উলুম ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ছাত্রী। ওই দিন মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে এসে অপহৃত হয়।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার ২৭ দিন পর রোববার রামগড়ের সোনাইপুল বাজার হতে অপহৃত ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ। মেয়েকে উদ্ধারের সংবাদ পেয়ে থানায় এসে মেয়ের সঙ্গে কথাবার্তা বলে জানতে পারে, ভিকটিমের আপন ভগ্নিপতি সাকিবুল ইসলাম রাজু প্রেমের ফাঁদে ফেলে ওই দিন মাদ্রাসার সামনে থেকে কৌশলে অপহরণ করে ঢাকা উত্তরায় নিয়ে যায়। সেখানে অজ্ঞাত একটি ভাড়া বাসায় ভিকটিমকে আটক রেখে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে।
আটক সাকিবুল ইসলাম রাজু (২৯) রামগড় উপজেলার ১নং রামগড় ইউনিয়নের লামকুপাড়ার বাসিন্দা সাইদুল ইসলামের ছেলে।
রামগড় থানার ওসি মোহাম্মদ নাজির আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর থেকে আসামি মোবাইলসহ ইন্টারনেটভিত্তিক সব ডিভাইস বন্ধ রাখে। দীর্ঘ চেষ্টার পর তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অপহৃতকে উদ্ধার করা হয়। অপহৃতের মা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে মামলা করেন। পরে আসামিকে রামগড় এলাকা থেকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
