×

চট্টগ্রাম

একজন কর্মকর্তার কাঁধে ৪৭ বিদ্যালয়, ব্যাহত হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষার তদারকি

Icon

রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম

একজন কর্মকর্তার কাঁধে ৪৭ বিদ্যালয়, ব্যাহত হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষার তদারকি

ফাইল ছবি

প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি শক্ত করার কথা বলা হলেও খাগড়াছড়ির রামগড়ে সেই ভিত্তিই নড়বড়ে হয়ে পড়েছে জনবল সংকটে। ৪৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, পাঠদানের মান, শিক্ষকদের একাডেমিক সহায়তা ও প্রশাসনিক তদারকির পুরো দায়িত্ব দীর্ঘদিন ধরে পালন করছেন মাত্র একজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। এতে বিদ্যালয়গুলো নিয়মিত নজরদারি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, আর প্রশ্ন উঠছে প্রাথমিক শিক্ষার মান রক্ষা নিয়ে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা  পদে তিন জন থাকার নিয়ম থাকলেও দীর্ঘদিন একজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা একাই তিনজনের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। অথচ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নীতিমালায় প্রতি ১৫ থেকে ২৫টি বিদ্যালয়ের জন্য একজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা থাকার নির্দেশনা রয়েছে।

সে হিসেবে রামগড়ের ৪৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য একাধিক কর্মকর্তা প্রয়োজন হলেও বর্তমানে একটি পৌরসভা ও ২টি ইউনিয়নের সব বিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র একজন কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন: সরকারি চাল বরাদ্দে অনিয়ম, এক চালকল দেখিয়ে একাধিক লাইসেন্স

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, একজন কর্মকর্তার পক্ষে এতগুলো বিদ্যালয়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও কার্যকর তদারকি করা বাস্তবসম্মত নয়। ফলে কোথাও পাঠদানের মান কমে যাচ্ছে কি না, শিক্ষার্থীদের শেখার পরিবেশে সমস্যা রয়েছে কি না কিংবা শিক্ষকরা প্রয়োজনীয় একাডেমিক সহায়তা পাচ্ছেন কি না এসব বিষয়ে কার্যকর নজরদারি করা একজন কর্মকর্তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এর প্রভাব পড়ছে প্রাথমিক শিক্ষার সামগ্রিক মানের ওপর।

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির রামগড় উপজেলা সভাপতি আবুল কাশেম  বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রতিনিয়ত নতুন নতুন নির্দেশনা দিচ্ছেন। নিয়মিত এসব তদারকি শুধু প্রশাসনিক বিষয় নয়, এটি শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন এবং পাঠদানের মানোন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পদ পূরণ না হওয়ায় বিদ্যালয়গুলো সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হ্যাপী চাকমা বলেন, ৪৭টি বিদ্যালয়ের মনিটরিং, বিভিন্ন সভা-সেমিনার, শিক্ষকদের একাডেমিক সহায়তা, বিভিন্ন পরীক্ষা, তথ্য যাচাই-বাছাই এবং সব বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব একাই পালন করতে হচ্ছে। একজন মানুষের পক্ষে সব দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিখিল মৃধা বলেন, জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় নিয়োগ হলে বিদ্যালয় তদারকি আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

ঢাকার নিচে নতুন পথ মাত্র ২৮ মিনিটে গন্তব্য?

ঢাকার নিচে নতুন পথ মাত্র ২৮ মিনিটে গন্তব্য?

সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক ইমরান গ্রেপ্তার

সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক ইমরান গ্রেপ্তার

দেশে ফিরলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কী হতে পারে আইনি প্রক্রিয়া?

দেশে ফিরলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কী হতে পারে আইনি প্রক্রিয়া?

ক্যাশ-আউট চার্জের ফাঁদে রেমিটেন্সের প্রণোদনা!

ক্যাশ-আউট চার্জের ফাঁদে রেমিটেন্সের প্রণোদনা!

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App