×

চট্টগ্রাম

বেরিয়ে এলো অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৮ এএম

বেরিয়ে এলো অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

ছবি : সংগৃহীত

আইফোনে ছবি তোলা ও টিকটক ভিডিও তৈরির সূত্রে ১৩ বছর বয়সী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল কয়েকজন তরুণের। সেই পরিচয়ই শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের দিকে গড়ায়। অপ্রতিমের আইফোনের প্রতি লোভ থেকে ঘটনার প্রায় সাত দিন আগেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে তিন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উঠে এসেছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ছবি তোলার কথা বলে অপ্রতিমকে কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ের নির্জন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আইফোনটি কেড়ে নেওয়ার পর তা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে অপ্রতিমের সঙ্গে তুহিনের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পাশে পড়ে থাকা কোদালের হাতল দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়। পরে ওই আঘাতেই অপ্রতিমের মৃত্যু হয়।

কুমিল্লার অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামির আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। তিনজনের বক্তব্যে হত্যার পরিকল্পনা, অপ্রতিমকে পাহাড়ে নেওয়া, আইফোন নেওয়া এবং হামলার বিষয়ে বেশ কিছু মিল রয়েছে। তবে হত্যার সময় কে কোথায় ছিলেন এবং ঘটনার পর কে কী করেছেন -এসব বিষয়ে তাদের বক্তব্যে কিছু পার্থক্যও রয়েছে।

কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপ্রতিম ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন কুমিল্লা সদর দক্ষিণের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন (১৯) এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই কিশোর ২০ সেপ্টেম্বর রাতে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিনটি জবানবন্দির মধ্যে হত্যার পরিকল্পনার বিষয়ে সবচেয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন তুহিন।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, অপ্রতিমের সঙ্গে পাঁচ-ছয় মাস ধরে তার পরিচয় ছিল। তুহিনের বন্ধু সিয়ামের মোটরসাইকেলে করে ছবি তোলা ও টিকটক ভিডিও তৈরির জন্য অপ্রতিম মাঝেমধ্যে তাদের সঙ্গে বের হতো।

তুহিন বলেন, অপ্রতিমের আইফোনের প্রতি তার এবং অপ্রতিমের বাবার দোকানে কর্মরত এক কিশোরের লোভ তৈরি হয়। ঘটনার আগের শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের কিছুটা সামনে তাদের দেখা হয়। সেখানেই আইফোন নেওয়ার পাশাপাশি অপ্রতিমকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে তুহিনের জবানবন্দিতে উল্লেখ রয়েছে।

অপ্রতিমের বাবার দোকানে কাজ করা কিশোরটির বক্তব্যেও ওই দিনের বৈঠকের কথা এসেছে। তবে সে হত্যার পরিকল্পনার মূল দায় তুহিনের ওপর দিয়েছে। তার ভাষ্য, ‘তুহিন আইফোনের জন্য অপ্রতিমকে মারার প্ল্যান করে।’

অন্য কিশোরের জবানবন্দিতে বলা হয়েছে, ঘটনার দিন বিকেলে তার এক বন্ধু তাকে পরিকল্পনার কথা জানায়। তাকে বলা হয়, তুহিনের সঙ্গে মিলে আইফোনের জন্য অপ্রতিমকে হত্যা করা হবে।

তিন আসামির বক্তব্যের এই অংশে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিল রয়েছে -অপ্রতিমকে হত্যা ছিল তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নয়। আইফোন নেওয়ার উদ্দেশ্যে আগে থেকেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে তাদের জবানবন্দিতে উঠে এসেছে।

ছবি তোলার কথা বলে পাহাড়ে নেওয়া

তুহিনের জবানবন্দি অনুযায়ী, হত্যার আগের দিন ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ময়নামতির একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে অপ্রতিমের সঙ্গে তার দেখা হয়। সেখানে অপ্রতিম তাকে নিজের টিকটক অ্যাকাউন্টের ঠিকানা দেয়। ওই রাতেই তুহিন টিকটকের মাধ্যমে অপ্রতিমকে মেসেজ করেন। পরে অপ্রতিম একটি মোবাইল নম্বর দিলে ওই নম্বরে তাদের কথা হয়। পরদিন জুমার নামাজের পর দেখা করার সিদ্ধান্ত হয়।

অপ্রতিম তার বাবার দোকানে কর্মরত কিশোরকেও একই সময়ে আসতে বলেছিল বলে তুহিনের বক্তব্যে এসেছে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ছবি তোলা। ছবি তোলার এই পরিচিত সম্পর্কের সুযোগ নিয়েই শেষ পর্যন্ত অপ্রতিমকে নির্জন পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে তিন আসামির বক্তব্য থেকে ধারণা পাওয়া যায়।

তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিমের চেয়ে ৫ থেকে ১০ বছর বড় কয়েকজন যুবকের সঙ্গে তার মেলামেশা ও সম্পর্ককে তারা ‘অসম বন্ধুত্ব’ হিসেবে দেখছেন।

১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে অপ্রতিমের সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা তুহিনের জবানবন্দিতে রয়েছে। এরপর তাকে ‘বুদ্ধি দিয়ে’ সানন্দা পশ্চিমপাড়ার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। তুহিনের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই এলাকা নির্জন এবং পাহাড়টি তার চাচা শাহ আলমের।

অন্যদিকে অপ্রতিমের বাবার দোকানে কর্মরত কিশোরটি জানিয়েছে, দুপুর ২টার পর কোটবাড়ির বোর্ড মার্কেট এলাকায় অপ্রতিমের সঙ্গে তার দেখা হয়। পরে সন্ধ্যার আগে সে আরেক কিশোর বন্ধুকে নিয়ে পাহাড়ের দিকে যায়। সেখানে যাওয়ার আগেই সে বন্ধুকে হত্যার পরিকল্পনার কথা জানায়।

তৃতীয় কিশোরের বক্তব্যও অনেকটা একই। সে জানায়, বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে একটি স্কুলের সামনে ওই কিশোরের সঙ্গে তার দেখা হয়। সেখানেই তাকে হত্যার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। এরপর বিকেল ৪টার পর তারা পাহাড়ে যায়। সেখানে গিয়ে অপ্রতিম ও তুহিনকে বসে থাকতে দেখে।

চারজন এক জায়গায় জড়ো হওয়ার পর কিছু সময় গল্প ও আড্ডা দেয় -তিন আসামির বক্তব্যেই এ বিষয়ে মিল রয়েছে।

আইফোন নিয়ে বিরোধ, এরপর হামলা

দোকানে কর্মরত কিশোরটি জবানবন্দিতে জানিয়েছে, সে অপ্রতিমের কাছে মোবাইল চাইলে অপ্রতিম সেটি তাকে দেয়। কিছুক্ষণ ব্যবহারের পর ফোনটি সে তুহিনের হাতে তুলে দেয়।

তুহিনের বক্তব্যেও একই ধরনের তথ্য পাওয়া যায়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই কিশোর অপ্রতিমের কাছ থেকে আইফোন নিয়ে বেশ কিছু সময় ব্যবহার করে। পরে ফোনটি অপ্রতিমকে ফেরত না দিয়ে তুহিনের হাতে দেয়। এরপর আইফোন নিয়ে অপ্রতিম ও তুহিনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।

পুলিশও এর আগে জানিয়েছিল, অপ্রতিম আইফোনটি ফেরত নেওয়ার চেষ্টা করলে তুহিন বাধা দেন। পরে তাকে মারধর করা হয়।

হামলার শুরু নিয়ে তিন আসামির বক্তব্যেও উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে। তাদের জবানবন্দি অনুযায়ী, অপ্রতিমকে প্রথম আঘাত করেন তুহিন। প্রথমে তাকে একটি থাপ্পড় দেওয়া হয়। এরপর পাশে থাকা কোদালের হাতল তুলে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করেন তুহিন। পরে অন্য দুজনকেও অপ্রতিমকে মারতে বলেন।

অপ্রতিমের বাবার দোকানে কর্মরত কিশোরটির বক্তব্যেও একই ঘটনা উঠে এসেছে। তার ভাষ্য, তুহিনের সঙ্গে অপ্রতিমের ঝগড়ার একপর্যায়ে তুহিন কোদালের হাতল দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করেন।

তৃতীয় কিশোরও জানিয়েছে, তুহিনই প্রথম কোদালের হাতল দিয়ে অপ্রতিমকে আঘাত করেন।

আইফোন বিক্রি করে টাকা ভাগের পরিকল্পনা

হত্যার উদ্দেশ্য নিয়েও তিন জবানবন্দিতে মিল পাওয়া গেছে। তুহিন বলেছেন, অপ্রতিমের আইফোনের প্রতি তাদের লোভ তৈরি হয়েছিল।

দ্বিতীয় কিশোর তার জবানবন্দিতে আরও স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাদের পরিকল্পনা ছিল তুহিন আইফোনটি বিক্রি করবেন এবং পাওয়া টাকা তাকে ভাগ করে দেবেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এ কারণেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়।

তৃতীয় কিশোরের বক্তব্যেও একই ধরনের তথ্য রয়েছে। তাকে বলা হয়েছিল, আইফোন বিক্রি করে পাওয়া টাকা তাকে ভাগ দেওয়া হবে।

অপ্রতিমের মৃত্যুর পর কে কোথায় গিয়েছিল, সে বিষয়ে অবশ্য তিনজনের বক্তব্যে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।

তুহিন বলেছেন, অপ্রতিম মারা যাওয়ার পর অন্য দুজন একদিকে চলে যায়। তিনি অন্যদিকে গিয়ে বাসায় ফেরেন।

দ্বিতীয় কিশোর জানিয়েছে, অপ্রতিম মারা যাওয়ার পর সে ও আরেক কিশোর একসঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। তখন তুহিন সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

তৃতীয় কিশোরের বক্তব্যও কাছাকাছি। তার ভাষ্য, সে ও তার বন্ধু একসঙ্গে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে এবং তুহিন অন্যদিকে চলে যান।

তবে অপ্রতিমের আইফোন শেষ পর্যন্ত তুহিনের কাছেই ছিল -তিন আসামির বক্তব্যেই এমন তথ্য পাওয়া যায়।

হত্যার পর সিয়ামকে ফোন

তুহিনের জবানবন্দিতে তার বন্ধু মো. সিয়াম (১৯) সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে।

তুহিনের দাবি, হত্যার পর বাসায় ফিরে তিনি সিয়ামকে ফোন করে ডেকে আনেন এবং তাকে পুরো ঘটনা জানান। হত্যার পরিকল্পনার বিষয়টি সিয়াম আগে থেকেই জানতেন বলেও তুহিনের জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে অন্য দুই আসামির বক্তব্যে হত্যার আগের পরিকল্পনার সঙ্গে সিয়ামের কোনো সম্পৃক্ততার কথা পাওয়া যায়নি।

পুলিশ পরে সিয়ামকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। পুলিশের ভাষ্য, সিয়াম সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেননি। তবে ঘটনা জানার পরও তিনি তা গোপন করেছিলেন। পুলিশ সূত্রের দাবি, হত্যার রাতেই তুহিন সিয়ামের সঙ্গে দেখা করে তাকে হত্যার বিস্তারিত জানান।

মরদেহ উদ্ধারের পরও খোঁজে অংশ নেয় আসামিরা

জবানবন্দিতে হত্যার পরের দিনের ঘটনাও উঠে এসেছে।

তুহিন জানান, পরদিন সকালে অপ্রতিমের মামা তাকে ফোন করে অপ্রতিমের খোঁজ করেন। এরপর তিনি সিয়ামকে সঙ্গে নিয়ে কোটবাড়ি এলাকায় অপ্রতিমকে খুঁজতে যান।

অপ্রতিমের বাবার দোকানে কর্মরত কিশোরটি জানিয়েছে, পরদিন সে অপ্রতিমের বাবার এক সহকারীর সঙ্গে তাকে খুঁজতে বের হয়। পরে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে সেও ঘটনাস্থলে যায়।

অন্য কিশোরের বক্তব্য অনুযায়ী, মরদেহ উদ্ধারের পর সন্ধ্যায় সে ও তার বন্ধু ফেসবুকে অপ্রতিমের মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দেয়।

এরই মধ্যে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তুহিনকে শনাক্ত করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর অন্যদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।

২০ সেপ্টেম্বর তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর পুলিশ জানায়, তাদের দেওয়া তথ্য অন্যান্য তথ্যপ্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। এ ঘটনায় আর কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তিন আসামির জবানবন্দি পাশাপাশি বিশ্লেষণ করলে অপ্রতিমের সঙ্গে তাদের পরিচয়, আইফোনের প্রতি লোভ, আগে থেকে হত্যার পরিকল্পনা, নির্জন পাহাড়ে নিয়ে যাওয়া, আইফোন নিজেদের দখলে নেওয়া এবং এরপর হামলার বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মিল পাওয়া যায়। তবে কে কী ভূমিকা পালন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডে প্রত্যেকের দায় কতটা -সেসব প্রশ্নের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হবে।

অপ্রতিমের পরিবার, সহপাঠী ও কুমিল্লার মানুষের এখন প্রত্যাশা, ছবি তোলার কথা বলে যেদিন ১৩ বছরের শিশুটি বাসা থেকে বের হয়েছিল, সেই দিনের ঘটনার পুরো সত্য দ্রুত উদ্‌ঘাটন হবে এবং দায়ীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

বেলুচিস্তানে সেনা অভিযানে ভারতীয় মদতপুষ্ট ৭১ জন নিহত

বেলুচিস্তানে সেনা অভিযানে ভারতীয় মদতপুষ্ট ৭১ জন নিহত

ছাত্র আন্দোলনে আরও এক দেশের প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ

ছাত্র আন্দোলনে আরও এক দেশের প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ

বেরিয়ে এলো অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

বেরিয়ে এলো অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

ভরি প্রতি কত কমলো স্বর্ণের দাম?

ভরি প্রতি কত কমলো স্বর্ণের দাম?

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App