×

সারাদেশ

বসুরহাটে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা  

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২১, ১০:২১ এএম

বসুরহাটে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা  

বসুরহাটে সংঘর্ষের ঘটনার একদিন পর পাল্টাপাল্টি মামলা। ছবি সংগৃহিত

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভা চত্বরে বৃহস্পতিবার বিকেলে কাদের মির্জা ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। ওই সংঘর্ষের ঘটনার একদিন পর পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার দুই গ্রুপের সংঘাতের জেরে আদালতে পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দুটি দায়ের করেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা অনুসারী ইকবাল হোসেন এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ (একাংশ) মিজানুর রহমান বাদল অনুসারী যুবলীগ নেতা নুরুল আফছার আরমান চৌধুরী।

এই পাল্টাপাল্টি মামলায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় ২৯৬ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা, হুমকি, ভয়-ভীতি প্রদর্শনসহ বেশ কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মামলার আলোকে পুলিশ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরক আইনসহ আরো কয়েকটি ধারা উল্লেখ করে কাদের মির্জার অনুসারী ইকবাল হোসেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজম পাশা চৌধুরী রুমেলকে প্রধান আসামি করে ১৩৪ জনের নাম উল্লেখ করে ৪০-৫০জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করে।

অপরদিকে, একই ধারায় উপজেলা আওয়ামী লীগ (একাংশ) বাদল অনুসারী পৌরসভা ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা যুবলীগ নেতা নুরুল আফছার আরমান চৌধুরী বাদী হয়ে কাদের মির্জার ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিককে প্রধান আসামি ও শাহাদাত হোসেনকে (৫৫) দ্বিতীয় আসামি করে ১৬২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২০-২৫জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাদের মির্জার অনুসারী শাহাদাত সিফাত বৃহস্পতিবার দুপুরে বসুরহাট পৌরসভা ভবন থেকে ফেসবুক লাইভে এসে উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশের নেতা বাদলের অনুসারী ও যুবলীগ নেতাদের অকথ্য ভাষায় চরিত্র হনন করে বক্তব্য দেন।

তার এ ভিডিও ফেসবুকে দেখে বাদলের অনুসারীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা বসুরহাট বাজারে থানার সামনে জড়ো হয়ে কাদের মির্জার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

খবর পেয়ে কাদের মির্জার ছোট ভাই শাহাদাত হোসেন ও ছেলে তাশিক মির্জা পৌরসভা থেকে তাদের অনুসারীদের নিয়ে জিরো পয়েন্টের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় থানার সামনে মুখোমুখি হলে তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে বাদলের অনুসারীরা।

এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই সময় কাদের মির্জার ছেলে তাশিক উপজেলা যুবলীগ সভাপতি আজম পাশা চৌধুরী রুমেলকে আটক করে নিয়ে যেতে চাইলে বাদল অনুসারীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে বসুরহাট পৌরসভা চত্বরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।

সংঘর্ষের পর আবদুল কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, কোনো কারণ ছাড়াই বাদলের লোকজন পৌর ভবনে আমাকে এবং আমার লোকজনকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে। এতে আমার ছেলে তাশিক মির্জাসহ অন্তত ৮ জন অনুসারী আহত হয়েছেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

ব্রাজিল ম্যাচের আগে তারকা খেলোয়াড়কে হারাল মরক্কো

ব্রাজিল ম্যাচের আগে তারকা খেলোয়াড়কে হারাল মরক্কো

শান্তিরক্ষীদের অর্জন করা গৌরব রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী

শান্তিরক্ষীদের অর্জন করা গৌরব রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী

দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ১২

দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ১২

যুদ্ধের মধ্যেই নতুন ৫ পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা ইরানের

যুদ্ধের মধ্যেই নতুন ৫ পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা ইরানের

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App